মান্না চলে যাওয়ার ১১ বছর আজ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:১৪ | আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:২২

আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি আসলাম তালুকদার ওরফে নায়ক মান্নার ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী। কোটি ভক্ত শোকের সাগরে ভাসিয়ে ২০০৮ সালের এই দিনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক।

মান্না মারা গেলেও তার জনপ্রিয়তা এখনও কমেনি। শতাধিক জনপ্রিয় ছবির এই নায়কের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।

১৯৮৪ সালে বিএফডিসি আয়োজিত নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে মান্নার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। তার অভিনীত প্রথম ছবি ‘তওবা’(১৯৮৪)। এরপর একে একে প্রায় সাড়ে তিন’শ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। তার অভিনীত প্রথম মুক্তি প্রাপ্ত ছবি ‘পাগলি’। ১৯৯১ সালে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘কাসেম মালার প্রেম’ ছবিতে প্রথম একক নায়ক হিসেবে কাজ করেন মান্না। ছবিটি ব্যবসা সফল হওয়াতে মান্নাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

এরপর কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দাঙ্গা’ ও ‘ত্রাস’ ছবির মাধ্যমে তার একক নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সহজ হয়ে যায়। একে একে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘অন্ধ প্রেম’, মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘প্রেম দিওয়ানা’, ‘ডিস্কো ড্যান্সার’, কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দেশদ্রোহী’, ছবিগুলো মান্নার অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।

১৯৯৯ সালে ‘কে আমার বাবা’, ‘আম্মাজান’, ‘লাল বাদশা’র মতো সুপারহিট ছবিতে কাজ করেন মান্না। প্রযোজক হিসেবেও মান্না বেশ সফল ছিলেন। তার প্রতিষ্ঠান থেকে যতগুলো ছবি প্রযোজনা করেছেন প্রতিটি ছবি ব্যবসাসফল হয়েছিল। ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে লুটতরাজ, লাল বাদশা, আব্বাজান, স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ, দুই বধূ এক স্বামী, মনের সাথে যুদ্ধ, মান্না ভাই ও পিতা-মাতার আমানত।

মান্না তার কাজের মাধ্যমে লাখো ভক্তের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন যুগ যুগ ধরে। তার ১১ মৃত্যুবার্ষিকীতে এবি নিউজের পরিবারের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food