চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নির্বাচন ২৫ জানুয়ারি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০১৯, ১৮:০৮

আগামী ২৫ জানুয়ারি এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নির্বাচন। ইতোমধ্যে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে।

জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে দু’টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। একটি প্যানেল দিয়েছেন বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে মুশফিকুর রহমান গুলজার এবং বদিউল আলম খোকন। অপর প্যানেলে রয়েছেন সভাপতি বাদল খোন্দকার এবং সাধারণ সম্পাদক বজলুর রাশেদ চৌধুরী।

এছাড়া চারজন পরিচালক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। সমিতি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন ৭৬টি মনোনয়নপত্র বিক্রি করলেও জমা পড়েছে ৪৪টি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হবে ১৩ জানুয়ারি। পরিচালক সমিতির সদস্য সংখ্যা চার শতাধিক হলেও ভোটার সংখ্যা ৩৬১।

চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির বর্তমান নির্বাচন নিয়ে ভোটাররা অনেক হিসাব-নিকাশ কষছেন। এফডিসির ক্যান্টিন, সমিতি-কমিটি কার্যালয় এবং ফিল্মপাড়ায় প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এই সমিতির দিকে সকলের দৃষ্টি থাকার কারণ হলো, চলচ্চিত্রের অভিভাবকসুলভ প্রযোজক-পরিবেশক সমিতি নিষ্ক্রিয় থাকায় নেতৃত্বের দিক থেকে পরিচালক সমিতি সামনে চলে এসেছে।

তাই ভোটাররা হিসাব কষছেন এবং চিন্তা-ভাবনা করছেন, চলচ্চিত্রের বর্তমান সংকট উত্তরণে নেতৃত্বে থাকা এই কমিটি বিগত দুই বছরে কি কাজ করেছে। এই কমিটির কেউ কেউ বিগত ছয় বছর থেকেই নেতৃত্বে আছেন। তাদের অবদানই বা কি? চলচ্চিত্র শিল্প স্বর্ণযুগ পেরিয়ে একটা নিদারুণ অবক্ষয়ে পতিত হয়েছে।

একদিকে এখান থেকে নির্মিত ছবিগুলো একের পর এক দর্শক প্রত্যাখাত হচ্ছে। কোনো প্রযোজকই তাদের লগ্নী তুলে আনতে পারছেন না। আরেক দিকে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ক্ষেত্রও সংকুচিত হয়ে এসেছে। কেন এমন হচ্ছে বা কিভাবে এই সংকট থেকে রেহাই পাওয়া যায় এবং আবারও কিভাবে মুখরিত হয়ে ওঠবে এই অঙ্গন- তা অনুধাবন করা।

 কিন্তু এই শিল্পের সঙ্গে যারা সরাসরি জড়িত এবং যারা এই অঙ্গনের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনুধাবনে সক্ষম, তারাও সেটা ভালোভাবে জানেন না। চরম এক অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন সবাই। পরিচালক শাহ আলম কিরণ বলেছেন, যারা এখন চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত তাদের পক্ষে চলচ্চিত্রে নবজাগরণ সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নেই। প্রয়োজন নতুনধারার, নতুনদের। কিন্তু সেটা কবে?

তবে বিরাজমান এই পরিস্থিতিতে চলচ্চিত্র শিল্পে নবজাগরণের সৃষ্টি করতে পারে, সে রকমই একটা নেতৃত চান ভোটাররা। তাই পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নয়, যোগ্য নেতৃত্বকে সামনে আনার কথা ভাবছেন অধিকাংশ পরিচালক।


এবিএন/মারুফ সরকার/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ