আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৫৫

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কিংবদন্তি ব্যান্ড শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহে শ্রদ্ধা জানাতে ঢল নেমেছে সর্বস্তরের মানুষের। কেউ আসছন ফুল হাতে, কেউ আসছেন গিটার হাতে-পিঠে ঝুলিয়ে। সময় যত বাড়ছে ততই বাড়ছে ভক্তের সমাগম। হাজারও মানুষের সমুদ্রে পরিণত হয়েছে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ।

সকাল ১০টা ২৫ মিনিট থেকে শুরু হয় প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা নিবেদন। চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।

আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসাস, অভিনয় শিল্পী সংঘ, ডিরেক্টরস গিল্ডসহ আরও অনেক সংগঠন। শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। আছেন কুমার বিশ্বজিৎ, মানাম আহমেদ, শাফিন আহমেদসহ সংগীত ভুবনের অনেক তারকা।এ ছাড়া রয়েছেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা ও শমী কায়সার। আছেন নানা পেশা, বয়স-শ্রেণির মানুষ।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। সেখানে জুমার নামাজের পর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মগবাজারে কাজি অফিস গলিতে আইয়ুব বাচ্চুর গান তৈরির কারখানা ‘স্টুডিও এবি কিচেন’-এ শেষবারের মতো তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে।

সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় জানাজা। চ্যানেল আইয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ আবারও স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। সেখান থেকে চট্টগ্রামে নেয়া হবে আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ। চট্টগ্রামের নিজ শহরের পারিবারিক কবরস্থানে শনিবার মায়ের কবরের পাশে আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ দাফন করা হবে।

প্রসঙ্গত, আইয়ুব বাচ্চু ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৮ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডদলের মাধ্যমে তিনি গানের জগতে আসেন। ১৯৮০ সালের দিকে তিনি ‘সোলস’ ব্যান্ডের সঙ্গে গান করতেন। এই দলটির সঙ্গে তিনি ১০ বছর যুক্ত ছিলেন। পরে ১৯৯১ সালে তিনি ‘এলআরবি’ গঠন করেন। ক্যারিয়ারে মোট ১৬টি একক অ্যালবাম করেছেন আইয়ুব বাচ্চু। ব্যান্ড অ্যালবাম করছেন ১২টি। এর মধ্যে তার গাওয়া হিট গানের সংখ্যা প্রচুর।

 এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ