ঈদের আগে মুক্তি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে নওশাবার ধন্যবাদ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০১৮, ০০:১৮ | আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৮, ১১:১৭

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, এবিনিউজ : ঈদের আগের দিন জামিনে মুক্তি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিনয়শিল্পী কাজী নওশাবা আহমেদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার স্বামী এহসান রহমান জিয়ার ফেসবুক পেজে তিনি একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

এই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, আমার একমাত্র কন্যা প্রকৃতির সঙ্গে ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণভাবে অনুভব করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানোর উপযুক্ত ভাষা আমার জানা নেই।

তিনি বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের একজন পরীক্ষিত, প্রকৃত ও সুযোগ্য অভিভাবক, এই ভূমিকার বাইরেও তিনি যে একজন মমতাময়ী মা, তা আবারও আমি নিজে একজন মা হিসেবে বুঝতে পেরেছি।

উল্লেখ্য, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে কাজী নওশাবা আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া কাজী নওশাবা আহমেদ গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের ধার্য তারিখ ১ অক্টোবর পর্যন্ত নওশাবার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বহাল থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাজী নওশাবা আহমেদ। তিনি লিখেছেন, দেশের সবাইকে ঈদুল আজহার বিলম্বিত শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনারা জানেন, আমাকে ঈদের আগের দিন বিকেলে নিম্ন আদালত জামিন প্রদান করেছেন। এর মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীন বিচার বিভাগ তার মানবিকতার উজ্জ্বল এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমি অভিভূত। আমার আইনজীবীদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নাই।

প্রসঙ্গত, গ্রেফতারের ১৬ দিন পর এই মামলা থেকে নওশাবা আহমেদ জামিন পান। গত মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এ আদেশ দেন। নওশাবার আইনজীবী আদালতে আবারও জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে কাজী নওশাবা আহমেদকে পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দেওয়া হয়।

নওশাবাকে ৫ আগস্ট গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে পুলিশ। সে দিন আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে আরও দুদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। নওশাবাকে রিমান্ড নেওয়ার আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছেন যে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ‘দুই ছাত্রের মৃত্যু এবং একজনের চোখ তুলে ফেলা’র কথা নিজের ফেসবুকে ছড়ান। এ ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে, তাদের গ্রেফতারের জন্য আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। পুলিশ আদালতকে জানিয়েছে, নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোই নওশাবার উদ্দেশ্য ছিল।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ