ঈদে ১০ পর্বের ধারাবাহিক ‘অতি ভক্তি চোরের লক্ষন’

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১৩:১২

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, এবিনিউজ : এটিএন বাংলার ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে ১০ পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘অতি ভক্তি চোরের লক্ষন’।

ঈদের দিন থেকে দশম দিন পর্যন্ত রাত ৯.৩০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি। আকাশ রঞ্জনের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত নাটকটিতে অভিনয় করেছেন এটিএম শামসুজ্জামান, সাজু খাদেম, মীশু সাব্বির, আমিরুল হক চৌধুরী, নাদিয়া আহমেদ, অর্ষা, নওশীন, সাঈদ বাবু, চিত্রলেখা গুহ, অলিউল হক রুমী, জামাল রাজা প্রমুখ।

অর্থ বিত্তের পরে একজন মানুষ মন থেকে যেটা খুব করে চায় সেটা হচ্ছে ভক্তি, শ্রদ্ধা, সম্মান। এই ভক্তিকে উপজীব্য করে একশ্রেণির লোক নিজেদের স্বার্থহাসিল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে শুরু করে দেয় অতি ভক্তি। এই অতিভক্তিতে যারা তৃপ্ত হয়েছে তারাই ভবিষ্যতে নানামুখী বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। এমনই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে অতিভক্তি চোরের লক্ষন নাটকের কাহিনী আবর্তিত হবে।

আজগর আলী গ্রামের প্রভাবশালী শিক্ষিত একজন ব্যক্তি। তার কথা অমান্য করার কারো সাহস নাই। তবে এই আজগর আলী গ্রামের সবার কাছে তার মরহুম পিতার মতো প্রিয় আজগর ভাই হিসাবে পরিচিত। আজগর আলীও তার বাবার নাম যশ খ্যাতি ধরে রাখার জন্য কোনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করে না। বিষয়টা আজগর আলীর একান্ত সহকারী মোসলেমের মোটেও পছন্দ না।

তাই সে আজগর আলীর প্রতি ভক্তির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে আজগর আলীর অজান্তেই তার প্রিয় পাত্র হয়ে উঠে। মোসলেম প্রিয় পাত্র হওয়ার পর পরই আজগর আলীর কাছে গ্রামের অধিকাংশ লোককে অপ্রিয় বানিয়ে ফেলে। আজগর মোসলেমের অতিভক্তিতে হীতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে মুহুর্তের মধ্যে খুব কাছের লোকগুলোকে দূরের লোক বানিয়ে ফেলে।

অপরদিকে, কদম আলী অর্থবিত্তশালী মূর্খ একজন লোক। গ্রামের যুবক শ্রেণি তাকে বেশি ভক্তি করে এর একমাত্র  কারন তার সুন্দরী মেয়ে টুম্পা। কদম আলী বিষয়টা বুঝতে না পারলেও তার ভাগ্নে বারেক বিষয়টা বুঝেও না বোঝার ভান করে কদমকে নির্বাচন ও সামাজিক কিছু অনুষ্ঠানে অর্থের বিনিময়ে অতিথি বানানোর পায়তারা করেন। কারন একটাই অতি ভক্তির আড়ালে কিছু অর্থ উপার্জন। বারেকের বিষয়টা বোঝা গেলেও মাষ্টার জালালের ছেলে আতিকের বিষয়টা বোঝা যাচ্ছে কোন স্বার্থে সে তার প্রেমিকা লাইজুর চেয়ারম্যান ভাইকে ভক্তি না করে কদম আলীকে ভক্তি করছে?

এভাবে নানা রহস্যজনক ঘটনা প্রবাহ নিয়ে রসাত্মক আঙ্গিকে এগিয়ে যাবে গল্পটি। দর্শক বুঝতে পারবে একজন মানুষকে জীবিত অবস্থায় মৃত বানাতে অতিভক্তিই যথেষ্ট। জীবিত-মৃতের চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।

এবিএন/মাইকেল/জসিম/এমসি

এই বিভাগের আরো সংবাদ