‘বাংলাদেশে পাঁচ বছরে বাড়বে ১১.৪ শতাংশ ধনী’

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:৫৩

আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশে ধনী (উচ্চ সম্পদশালী) মানুষের সংখ্যা বাড়বে ১১ দশমিক ৪ শতাংশ। নিউইয়র্ক ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েলথ-এক্সের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বুধবার প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড আল্ট্রা ওয়েলথ রিপোর্ট ২০১৯’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল দেশের তালিকায় ধনী জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি পাওয়ার হিসেবে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থান লাভ করেছে। খবর ইউএনবির

এর আগে ওয়েলথ-এক্সের ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অতি-উচ্চ সম্পদশালী (ইউএইচএনডব্লিউ) জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির তালিকায় বাংলাদেশ ছিল সবার উপরে। ২০১২-১৭ মেয়াদে বৃদ্ধির হার ছিল ১৭.৩ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেট ১০ লাখ থেকে ৩ কোটি মার্কিন ডলার সম্পদের মালিক ব্যক্তিরা উচ্চ সম্পদশালী এবং যাদের ৩ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি নেট সম্পদ রয়েছে তারা অতি-উচ্চ সম্পদশালী।

সাধারণত প্রাথমিক বাসস্থান, সংগ্রহে থাকা জিনিসপত্র ও ভোগ্যপণ্যের মতো ব্যক্তিগত সম্পদ বাদ দিয়ে যাদের সর্বোচ্চ ৩ কোটি মার্কিন ডলারের মতো বিনিয়োগ উপযোগী সম্পদ রয়েছে তাদের উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

ওয়েলথ-এক্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে বিশ্বে উচ্চ সম্পদশালী জনগোষ্ঠী ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ২ কোটি ২৪ লাখে দাঁড়িয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে কম। আর সব উচ্চ সম্পদশালীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ধনী জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশাপাশি আর মাত্র চারটি দেশ দুই অংকের প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। সেগুলো হলো- নাইজেরিয়া (১৬ দশমিক ৩ শতাংশ), মিসর (১২ দশমিক ৫ শতাংশ), ভিয়েতনাম (১০ দশমিক ১ শতাংশ) ও পোল্যান্ড (১০ শতাংশ)।

তালিকায় থাকা প্রথম ১০টি দেশের মধ্যে বাকি পাঁচটি দেশ হলো- চীন (৯ দশমিক ৮ শতাংশ), কেনিয়া (৯ দশমিক ৮ শতাংশ), ভারত (৯ দশমিক ৭ শতাংশ), ফিলিপাইন (৯ দশমিক ৪ শতাংশ) ও ইউক্রেন (৯ দশমিক ২ শতাংশ)।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ধনী মানুষ থাকা শীর্ষ ১০ দেশ হলো- যুক্তরাষ্ট্র (৮৬ লাখ ৮০ হাজার অতি-উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি), চীন (১৮ লাখ ৮০ হাজার), জাপান (১৬ লাখ ২০ হাজার), জার্মানি (১০ লাখ ২ হাজার), যুক্তরাজ্য (৮ লাখ ৯৩ হাজার ৯০৫), ফ্রান্স (৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৮০), কানাডা (৫ লাখ ৫ হাজার ১০), দক্ষিণ কোরিয়া (৪ লাখ ৭৬ হাজার ৭০৫), অস্ট্রেলিয়া (৪ লাখ ৭৩ হাজার ৬০০) ও ইতালি (৪ লাখ ১৮ হাজার ৯০)।

এবিএন/রাজ্জাক/জসিম/এআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ