ইসরাইলের সোডাস্ট্রিম কিনে নিলো পেপসি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০১৮, ০৮:৩৬

ঢাকা, ২৫ আগস্ট, এবিনিউজ : চিনিসমৃদ্ধ পানীয় হিসেবে পরিচিত পেপসি নিজেদের ভাবমূর্তির পরিবর্তন চায়। ইসরাইলি কোম্পানি সোডাস্ট্রিম কিনে নেয়ার পেছনে এটি অন্যতম কারণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই হাতবদলে সোডাস্ট্রিমের বর্তমান মালিককে ৩২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিবে পেপসিকো। ২০১৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে পুরো প্রক্রিয়া। এরপরই শুধু কোমলপানীয় নয়, স্বাস্থ্যসম্মত ফিজি ড্রিঙ্ক উৎপাদনকারী হিসেবেও বাজারে নাম ছড়াবে পেপসি। খবর ডয়েচে ভেলে।

পেপসিকোর চেয়ারম্যান ও সিইও ইন্দ্র নোয়ি জানিয়েছেন, ‘পেপসিকো এবং সোডাস্ট্রিম খুব দারুণ জুটি হবে। সোডাস্ট্রিম উৎপাদন বর্জ্যের পরিমাণ কমিয়ে দারুণ সব পানীয় তৈরি করে’।

সোডাস্ট্রিমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড্যানিয়েল বির্নবাউম এই চুক্তিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বাজারে থাকা সব কোলা পানীয়র বিকল্প পানীয় হিসেবে সোডাস্ট্রিম নিজেদের বাজারজাত করে থাকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চিনিসমৃদ্ধ খাবার ও পানীয় থেকে দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর চেষ্টা করছে পেপসি। তারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই চুক্তিকে।

বিশ্বের দু-শ’টিরও বেশি দেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড়শ’ কোটি বোতল কোকাকোলা বিক্রি হয়৷ চলতি বছরের শেষের দিকে নোয়ির কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেবেন পেপসিকো বস ব়্যামন লাগুয়ার্তা। তিনি জানান, ‘আমাদের ব্যবসায় অনেক কিছু যোগ করবে সোডাস্ট্রিম’।

ধারণা করা হচ্ছে, সোডাস্ট্রিমের পণ্য বাজারজাত করতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নোয়ির কৌশলই ধরে রাখবেন লাগুয়ার্তা। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কোমল পানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানই এখন অপেক্ষাকৃত স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও পানীয়ের দিকে ঝুঁকছে। ইউরোপ ও এশিয়ার বাজার দ্রুত দখলে নিলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি সোডাস্ট্রিম।

কিন্তু অন্য একটি কারণে বিতর্কিত সোডাস্ট্রিম। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির মূল কারখানার অবস্থান ছিল পশ্চিম তীরে। ফিলিস্তিনের সার্বভৌমত্ব ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলি দখলদারীত্বের প্রতিবাদকারীরা এটিকে কখনই সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি।

অবশ্য অর্থনৈতিক কারণ দেখিয়ে ২০১৫ সালে সোডাস্ট্রিম কারখানাটি বন্ধ করে দেয় এবং কারখানা সরিয়ে নেয়া হয় দক্ষিণ ইসরাইলে।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ