ভালুকা মডেল থানার ওসি'র কর্মকান্ডে স্বস্থিতে ভালুকাবাসী 

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২০, ০১:১৯

ময়মনসিংহের ভালুকা মডেল থানার  ওসি মাইনউদ্দিন। বিগত ২০১৯সালের ১লা মে ভালুকায় যোগদান করেন। তিনি এ যাবত কাল ভালুকায় থাকায় স্বস্থিতে আছেন ভালুকাবাসী।মাইনউদ্দিন ভালুকায় যোগদান করার পর হতেই ভালুকায় আইন শৃঙ্খলার ব্যাপক উন্নীত হয়।ওসি অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধা খাটিয়ে মাদকমুক্ত ভালুকা গরতে সর্বদাই কাজ করছেন।তিনি ভালুকায় আসার পর থেকে হয়রানিমূলক মামলা, বিনা কারণে কাউকে গ্রেফতার একেবারেই নাই। ভালুকায় সাধারণ জনগণের মুখে মুখে এখন ওসির প্রশংসা। তবে পুলিশ দিয়ে স্বার্থহাসিল কারী বা দালালদের নিকট ওসি মাইনউদ্দিনের এই মহানুভবতা বিষাদে পরিণত হয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত চাইছে ওসির বদলী। কিন্তু সাধারণ জনগণ, শুশীল সমাজ, সাংবাদিক সহ সর্বস্তরের মানুষের আস্তার প্রতিক ওসি মাইনউদ্দিন।  

তিনি ভালুকায় যোগদান করার পর হতেই করোনা মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের সাথে সম্বন্বয় রেখে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ভালুকায় প্রথম করোনা রোগীর বাসায় নিজে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে আসা।  অসহায় অটো চালকের বৃদ্ধ মা,বাবা সহ পরিবারের সবাইকে বাসা ভাড়া দিতে না পারায় বাসা থেকে বের করে দেন বাড়ীওয়ালা। রাস্তায় বসে থাকা অসহায় পরিবারের বাড়ী ভাড়া পরিশোধ করে দিয়ে বাসায় আশ্রয় দেয়া সহ করোনাকালীন ভালুকায় দরিদ্র,অসহায়, ভিক্ষুকদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, থানায় কয়েকটি চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা অল্প কয়েকদিনের মধ্যে রহস্য উদঘাটন সহ নানা কাজে ভালুকাবাসীর প্রশংসা কুরিয়েছেন। হয়েছেন পত্র পত্রিকার শিরোনাম। 

ভালুকা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক কামরুজ্জামান মানিক  বলেন, ওসি মাইনউদ্দিন ভালুকায় যোগদান করার পর হতে ভালুকার মানুষের মাঝে স্বস্থি ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে গেছেন। বর্তমানে দালালমুক্ত থানা ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মামলা ও জিডি করতে পারে সাধারণ মানুষ। আমার দেখা মতে তিনি নিজ চেম্বারে না বসে বাইরে চেয়ার ফেলে বসে সাধারণ মানুষের কথা শুনেন ও তাৎক্ষণিকভাবে এ্যাকশনে যায়। তিনি একজন সরলমনা মানুষ।  

ভালুকা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি ওনার তত্বাবধানে এই থানায় কাজ করতে অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। তিনি সকল অফিসারদের কাজ কর্মে উৎসাহ যোগায়।  তিনি অত্যন্ত ভদ্রলোক ও মানবিক একজন লোক। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন জানান, পুলিশ জনতা একসাথে কাজ করতে হবে। মানুষকে হয়রানি করা পুলিশের কাজ না।  আমরা মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশে প্রতিটি ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।  প্রতি ইউনিয়নে একজন এস আই ও এএসআই থাকবে যাতে মানুষ থানায় না এসে তাদের অভিযোগ দিতে পারবে। দূর দুরান্ত হতে মানুষের আসতে যাতে কষ্ট না হয় সেজন্য এই ব্যবস্থা।  যতদিন চাকুরী করবো মানুষের কল্যাণে কাজ করবো।

 

এবিএন/জাহিদুল ইসলাম/জসিম/অসীম রায়    

এই বিভাগের আরো সংবাদ