শার্শায় বোরো চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২০, ১৪:১১

যশোরের শার্শায় শুরু হয়েছে বোরো চাষাবাদ। জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। 

চাষিরা জানায়, শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকমতো থাকলে সুষ্ঠুভাবে ফসল ঘরে তুলতে পারবেন। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে মাঠে চলছে পানি সেচ, জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনের ব্যস্ততা। 

শার্শা উপজেলার কৃষক তুহিন হোসেন জানান, দেড় বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করছি। গভীর নলকূপ দিয়ে আমাদের চাষাবাদ করতে হয়। সবাই একসাথে জমি তৈরী করতে নলকূপের ওপর কিছুটা চাপ পড়ছে। 

কৃষক বাবলুর রহমান জানান, জমি চাষ ও রোপন, পানি সেচ এবং কাটা-মাড়াইসহ প্রায় ১০ হাজার থেকে ১১ হাজার টাকা বিঘা প্রতি খরচ হয়ে থাকে। বিঘা প্রতি ফলন হয় ২০-২২ মন। বর্তমান বাজারে ধানের দাম সর্বোচ্চ ৬৫০ টাকা করে। যাদের নিজস্ব জমি তাদের কিছু থাকে। কিন্তু যারা বর্গাচাষী তাদের কিছুই থাকেনা। এতে করে প্রতিবছর আমাদের লোকসান গুনতে হয়।

সরকার যদি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে তাহলে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে। উপজেলায় চলতি মৌসুমে চাষিদের মধ্যে বোরো চাষের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শীতের প্রকোপ কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে। 

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে শার্শা উপজেলায় এবার ২২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৫শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের উৎপাদন বেশি হচ্ছে। এর মধ্যে ব্রি-ধান ২৮, ব্রি-ধান ৫০, ব্রি-ধান ৬৫, ব্রি-ধান ৬৭, ব্রি-ধান ৮১-সহ হাইব্রিড মিনিকেট ধান চাষ হচ্ছে।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল জানান, চলতি বছরের বোরো মৌসুমে ৪’শ বা তার বেশি কৃষককে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিঘা প্রতি সার, বীজ সহায়তা প্রদান এবং কৃষক/ কৃষাণীকে এনএডিবির আওতায় সার, বীজ বিতরণসহ বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

এবিএন/মো. আয়ুব হোসেন/গালিব/জসিম 


 

এই বিভাগের আরো সংবাদ