সোনাগাজীতে আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাই নিয়েছে ১৫ হাজার মানুষ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৮

সোনাগাজীতে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার ৩০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ১৫হাজার উপকূলীয় এলাকার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াও ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় অর্ধশত আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখাসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ সর্তকতা জারি করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট তাদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার, গুড়, মুড়ি, বিস্কুট, চিড়াসহ বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়েছে। বুলবুলের প্রভাবে গত শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মেঘাচ্ছন্ন আকাশ আর কখনও গুঁটিগুঁটি আবার কখনো মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সঙ্গে বাতাসের গতিবেগ বাড়তে শুরু করে।

ঘূর্ণিঝড়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যক্ষেণ করতে শনিবার সকাল থেকে স্থানীয় সাংসদ লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে লোকজনের খোঁজখবর নেন।

সন্ধ্যায় পর ফেনীর জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুজ্জামান সোনাগাজীর উপকূলীয় চরছান্দিয়া ও সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করন। এ সময় তিনি ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি প্রশাসনের তরফ থেকে নেয়া হয়েছে বলে জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেব বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় উপজেলার উপজেলার সব সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলার সব কয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও দূযোর্গকালীন সময়ে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শনিবার সকালে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানোর পর থেকে ঘূর্ণিঝড় ও দূর্যোগ মোকাবিলায় এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনাসহ জনগনকে সর্তক করার লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক মাইকিং করা হয়। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় অর্ধশত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রসহ উপজেলার সব কয়টি বিদ্যালয়কে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলায় একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে এবং ১০টি চিকিৎসক দল, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও ভিডিপি এবং গ্রাম পুলিশের সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন। দূর্যোগকালী উদ্ধার তৎপরতাসহ বিভিন্ন কাজের জন্য সিপিপির দেড়হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ ২হাজার কর্মী মাঠে থেকে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, আজ শনিবার দুপুরের পর থেকে উপজেলার চর চান্দিয়া, সোনাগাজী সদর, আমিরাবাদ ও চর দরবেশ ইউনিয়নের নদী উপকূলীয় এলাকার লোকজন নিকস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে শুরু করে। সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা চারটি ইউপির ৩০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ১৫হাজার লোক আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।


এবিএন/আবুল হোসেন রিপন/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ