তিতাসে টাকার বিনিময়ে পাগলীর জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:০৫

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় মোটা অংকের কমিশনের বিনিময়ে দাতা পাগল নারীর জমি রেজিস্ট্রিরীর অভিযোগ উঠেছে সাবরেজিস্ট্রার ও দলিল লিখকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৮ সেপ্টেম্বর উপজেলা সদর কড়িকান্দি ইউনিয়নের কলাকান্দি গ্রামে।

আজ শুক্রবার সরেজমিনে কলাকান্দি গ্রামে গেলে স্থানীয়রা জানান মৃত বারেক মিয়ার স্ত্রী সফুরা বেগম আজ ৩০ বছর ধরে পাগল এবং সে সঠিক ভাবে কোন কথা বলতে পারেন না। তার এক ছেলে ও পাঁচ মেয়ে কিন্তু মেয়েদেরকে না জানিয়ে সাব রেজিস্ট্রারকে মোটা অংকের  কমিশন দিয়ে  উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার ও দলিল লিখকের যোগসাজসে বাড়িতে এসে কলাকান্দি মৌজায় সফুরার নামে ১০ শতক ভুমি রেজিস্ট্রি করে নেয় একই গ্রামের মতিন মিয়া।

এবিষয়ে দলিল লিখক সমিতির সভাপতি একই গ্রামের মেহিদি হাসান সেলিম ও সহসভাপতি মনির হোসেন বলেন সফুরা বেগম ৩০ বছর যাবৎ পাগল, সে সঠিক ভাবে কথা বলতে পারেনা এবং পাগলের নামে থাকা কোন ভূমি রেজিস্ট্রি করার নিয়ম নেই। কিভাবে এ ভূমি রেজিস্ট্রি করে, নিশ্চই মোটা অংকের কমিশনে এমনটি হয়েছে। দ্রুত দলিলটি বাতিল করার জন্য সাবরেজিস্ট্রারের প্রতি দাবি জানান তারা।

এবিষয়ে জানতে ভূমি গ্রহিতা মতিন মিয়াকে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্বভ হয়নি। সফুরা বেগমের পুত্র বধু  মদিনা বেগমের নিকট জানতে চাইলে তার শাশুরী পাগল শিকার করে বলেন আমার শশুর বারেক মিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় জমিটি বিক্রি করেছে কিন্তু মাঠ পর্চায় আমার শাশুরীর নামে উঠায় আমার স্বামী ও শাশুরী পূনরায় দলিল করে দেয়। দলিল লিখক শের ই আলম বলেন জমিটি আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে সফুরার স্বামী বিক্রি করেছে ভূল বসত মাঠ পর্চায় সফুরার নামে উঠায় তার ছেলে ও সে গ্রহিতাকে সংশোধন করে রেজিস্ট্রি করে দেয়।

এদিকে সাবরেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহায়ক মো. মাহাবুব বলেন দলিল লিখক শের ই আলমের সাথে আমি কলাকান্দি যাই এবং সফুরা বেগমের সাথে কথা বলে আমার সন্দেহ হলে আমি স্যারকে জানাই,স্যার সফুরা বেগমের ছেলের সাথে কলা বলে আমাকে অনুমতি দেয় তার পর আমি রেজিস্ট্রি করি। এবিষয়ে সাব রেজিস্ট্রার ফরিদা বেগমের নিকট জানতে তাহার মোবাইল নাম্বারে একাধীক ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য নেয়া সম্বভ হয়নি।
 

এবিএন/কবির হোসেন/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ