কিশোরগঞ্জে প্রাথমিকে শতভাগ উপস্থিতি, মিড ডে মিল ও ঝরেপড়া রোধে উঠান বৈঠক

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৫২

“মানসম্মত শিক্ষা, শেখ হাসিনার দীক্ষা” এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ উপস্থিতি, মিড ডে মিল ও পরে পড়া রোধ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক মিলন মিয়ার বাড়ির প্রাঙ্গনে উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সভায়

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষক বান্ধব  জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু আহমেদ বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুব জামান, সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুল হক খান ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এমদাদুল হক।  

প্রধান অতিথি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক বলেন, মা হলেন শিশুর প্রথম শিক্ষক। তিনি বিদেশী চ্যানেল থেকে নিজকে ও শিশুদের দূরে রাখতে বলেন। কারণ এটি একটি অপসংস্কৃতি , এ অপসংস্কৃতি মানুষকে বিষাক্ত করে তোলে। 

তিনি বলেন, ডিস কোন উপকারে আসেনা। সন্তান হলো আসল সম্পদ। প্রকৃত সম্পদ চাইলে ডিস রন্ধ করে দিতে হবে। একজন ভালো সন্তান এলাকার গর্ব আর  দেশের সম্পদ। এসম্পদ রক্ষা করতে হলে সন্তানদের প্রতি নজর  রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, মেয়ে সন্তানদের অন্য দৃষ্টিতে দেখার কোন সুযোগ নেই । তাদেরকে কোন অংশথেকে বঞ্চিত কররে নিজেই বঞ্চিত হবেন। তিনি ছেলে মেয়ে দুজনের প্রতি সমান সুযোগ দেওয়ার জন্য উপস্থিত মাদের প্রাত আহবান জানান।

 অতিরিক্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুব জামান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম হাতিয়ার হলেন মা। একন মা পারেন তার সন্তানকে একজন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলতে। তিনি  বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা  গড়ে তোলতে  হলে শিশুকে বঙ্গবন্ধুর মতো যোগ্য নাগরিক গড়ে উঠবে এ আহবান জানান প্রতিটি মায়ের কাছে।

সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুল হক খান বলেন, শিশুকে মানুষ করতে হলে মাকে অনেক ত্যাগ স্বিকার  করতে হবে। তার পাশে বসে থাকতে হবে তার খোঁজ খবর রাখতে হবে তবেই সে মানুষের মতো মানুষ হবে। তিনি আরো বরেন, মা জ্ঞানী হলে তার  সন্তান  ও জ্ঞানী হবেই। একজন শিক্ষার্থী  প্রতিদিন স্কুলে আসলে তার মেধাশক্তি বৃদ্ধি পাবেই। তিনি আরো বলেন, শিক্ষিত হওযার দরকার নেই সুশিক্ষিত হওয়া দরকার । শিক্ষার্থীরা  প্রতিদিন স্কুলে আসলে সে সুনাগরিক হিসেবে গডে উঠবেই আরন এ ক্ষেত্রে মায়ের ভ’মিকা সবচে বেশি। এজন্য তিনি প্রতিদিন শিশুদের স্কুলে পাঠানোর জন্য উপস্থিত মায়েদের প্রতি আহবান জানান।

অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সদর উপজেলার কড়িয়াইল ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আবুল বাসার মৃধা। বিদ্যালয়ের নারী অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কোহিনুর রেখা।
 

এবিএন/শাফায়েতুল ইসলাম/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ