সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০১৯, ২১:২৪

যমুনা নদীর পানি কমতে থাকলেও সিরাজগঞ্জে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি এখন অপরিবর্তিত রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার বিভিন্ন স্থানে ২৯৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখন পানির নিচে। চরাঞ্চলসহ বানবাসি মানুষের দূর্ভোগ বাড়ছে। যমুনা নদীর তীরবর্তী ৫টি উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার মানুষ এখনও মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

বিশেষ করে শাহজাদপুর উপজেলার জয়পুরা থেকে জগতলা পর্যন্ত নতুন বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকায় গবাদি পশু নিয়ে আশ্রিত বহু পরিবার খোলাকাশের নিচে অবস্থান করছেন। বর্তমানে যমুনা নদীর পানি ২৪ ঘন্টায় ২০ সেঃ মিটার কমে বিপদ সীমার এখন ৫৬ সেঃ মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা জানান, যমুনা নদীর তীরবর্তী চৌহালী, শাহজাদপুর, বেলকুচি, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বন্যা কবলিত এলাকায় ২১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৯৭ টি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এ কারণে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন পাঠদান বন্ধ রয়েছে। তবে যমুনার পানি বিপদ সীমার নিচে আসলেই এসব বিদ্যালয়ে পুরোদমে ক্লাশ শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুল হুসাইন খান বলেন, ওই বাঁধের উপর আশ্রিত বানবাসি মানুষের খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে এবং ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে ও ১০টি তাবু বরাদ্দ করা হয়েছে।

এছাড়া বন্যা কবলিত এলাকার বিভিন্ন স্থানে পানি, জ্বালানি ও গো খাদ্যর চরম সংকট এবং পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় গো-খাদ্য, চাল, ডাল ও নগদ টাকাসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে এবং রোগাক্রান্ত এলাকায় মেডিক্যাল টিম কাজ করছে বলে জেলা বন্যা নিয়ন্ত্রণ কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে।

এবিএন/এস,এম তফিজ উদ্দিন/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ