ফরিদপুরে বন্যাতদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা প্রদান

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০১৯, ২২:২৭

ফরিদপুরের গত চার দিনে পদ্মার পানি বৃদ্ধির ফলে জেলা নিম্নাঞ্চলের উজান থেকে নেমে আসা পানি প্রবেশ করেছে। এরই মধ্যে জেলার তিনটি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের অধিকাংশ জায়গায় পদ্মার পানি ডুকে পড়েছে।

ফরিদপুরের গোয়ালন্দ পয়েন্টের গেজ রিডার ইদ্রিস আলী জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ওই পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি আরও ২০ সে.মি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে শুক্রবার সকাল ৬টায় ওই পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার (৯ দশমিক ১৯) উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিদপসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার উপরে রয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর এবং ভাঙ্গা উপজেলায় ৪২ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নগদ অর্থ দেওয়া হচ্ছে পানিবন্দি মানুষের মাঝে।

আজ শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের দূর্গতদের মাঝে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রোকসানা রহমানের নেতৃত্বে দেড়শ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম রেজা, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সাহিদুর রহমান, নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে ডিক্রিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু বলেন, গত দুই দিনে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির কারনে আমার ইউনিয়নের প্রায় ৭/৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে আমন, আউশ ধানসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি। পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে ৭/৮হাজার মানুষ। এখন পর্যন্ত কোন ত্রাণ সামগ্রী পৌছায়নি আমার এলাকায়। তবে ক্ষতিগ্রস্থ ও পানিবন্ধী পরিবারের তালিকা প্রস্তুত হচ্ছে। আশা করছি ২/১দিনের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করতে পারব।
জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, বন্যাতদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে ১০ কেজি চাল, দুই কেজি চিড়া, এক কেজি করে ডাল, চিনি, লবন, তৈল এবং হাফ কেজি নুডুস দেওয়া হয়।

ফরিদপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রোকসানা রহমান জানান, ফরিদপুর এখনও বন্যা কবলিত জেলায় পরিণত হয়নি। তবে বন্যার আশংকায় আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রস্তুতি নিয়েচি। ইতিমধ্যে তিন উপজেলা ৪২ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এবিএন/কেএম রুবেল/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ