গাজীপুরে বিআরটিএ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে জনদূর্ভোগ কমবে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০১৯, ২০:২৩

গাজীপুরে সড়কে বিআরটিএ প্রকল্পের কাজ ৩ বছর চলে গেছে কাজের অগ্রগতি মাত্র ১০ ভাগ শেষ হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে সভা করেছি। এ কাজটি সম্পূর্ণ হলে গাজীপুরের জনদূর্ভোগ কমে যাবে। আধুনিক গাজীপুরের উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় জনপ্রতিনিধি ও পেশাজীবিদের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এসব কথা বলেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, গাজীপুরের শিল্পকারখানার ব্যাপক বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা না হলে লজ্জার শেষ থাকে না। নদীগুলোরও নাব্যতা রক্ষার প্রোয়োজন। নদীর নাব্যতা রক্ষার স্বিদ্ধান্ত হয়েছে। এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। নদী গুলো দ্রুত সময়ে খনন করা হইবে। সিটি কর্পোরেশান ও হাসপাতালের লোকবল নিয়োগের প্রক্রিয়া রয়েছে। আগামী একবছরের মধ্যে এ সমস্যা শেষ করতে পারব। গাজীপুরের উন্নয়নে আমার অগ্রনী ভূমিকা থাকবে।

গাজীপুর উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শামসুর নাহার ভূইয়া এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিআরটিএ এর সাবেক চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব আইয়ুবুর রহমান খান, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব আনিছুর রহমান মিয়া, জাতীয় প্রেস কøাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি আতাউর রহমান, সাবেক ব্যাংকার মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্র্মকর্তা লোকমান হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর জিল্লুুর রহমান মুকুল, ডা: জালাল উদ্দিন, বাংলাদের মহিলা ক্রিয়া সংস্থার অটর্নিজেনারেল নিলা আক্তার,সোলেমান সিকদার, মুঞ্জর বারী, রাশিদুল হক, মোস্তফা মোহাইমিন হিমু, এম এ সালাম শান্ত প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

আইয়ুবুর রহমান বলেন, গাজীপুরে জলাবদ্ধাতা ও যানজট প্রধান সমস্যা। এসব নিরসনে কাজ করতে হবে। আনিছুর রহমান বলেন, গাজীপুরের নদীগুলো খনন করা যেতে পারে। বেলাই বিলে তিনটা সুইচগেইট হলে বিলের জমিতে তিনবার ফসল আবাদ করা যাবে। শহীদুল্লাহ বলেন, গাজীপুরে পরিবেশ দূষণ চরম মাত্রায় পৌছেছে। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আইন মানছেন না। পরিবেশ সুরক্ষার কাজ করতে না পারলে গাজীপুরের উন্নয়ন হবে না। লোকমান হোসেন বলেন, কাপাসিয়ার বিভিন্ন সমস্যা দেখা গেছে। অতিরিক্ত মাছির কারণে মানুষ ভাত খেতে পারছে না। নীলা আক্তার বলেন, গাজীপুরে স্পোর্ট ভিলেজ করার প্রস্তাব করছি। মহিলা ও শিশুদের জন্য স্থাপনা সহ কিছু করা দরকার।

এবিএন/নুরুল আমীন সিকদার/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ