সিরাজগঞ্জে ব্রীজ না থাকায় বাঁশের সাঁকো এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০১৯, ২২:৪৮

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ধুবিল মেহমানশাহী নামক স্থানে গাড়দহ নদীর উপর  ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ায় এখন বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা এলাকাবাসীর। এ সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয়ে থাকেন ধুবিল মেহমানশাহীসহ কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার নারী পুরুষ।

অভিযোগ রয়েছে, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে গেলেও ওই নদী পারাপারে উল্লেখিত স্থানে আজও ব্রীজ নির্মাণ করা হয়নি। এ অঞ্চলের শয্যভান্ডার খ্যাত সলংগা থানার ধুবিল মেহমানশাহী নামক স্থানে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন একটি ব্রীজ নির্মাণ না করায় হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে নদীর পুর্ব পাড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জীবন ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়।

এছাড়া এলাকার কৃষকরা ধানসহ বিভিন্ন শয্য ঐতিহ্যবাহী সলংগা হাটে বিক্রি করতে আসতেও চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এবং এ অঞ্চলের যোগাযোগের তেমন কোন উন্নয়ন না হওয়ায় অনেক জরুরী কাজ ও সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। এ জনদূর্ভোগ থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়ার জন্য অবশেষে এই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছে স্থানীয়রা।

এদিকে বর্ষাকালে নৌকায় নদী পারাপার ঝুঁকিপুর্ণ হওয়ায় এখন সারা বছরই এই বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা। আর শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই নদীর পানি কমতে থাকায় কাদায় ভরে গেলেও পায়ে হেঁটেই ওই সকল অঞ্চলের শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের প্রয়োজনের তাগিদে জেলা ও উপজেলা সদরে যাতায়াত করে থাকেন। স্থানীয়রা আক্ষেপ করে বলেন, যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসে তখন সব দলের নেতারাই এই জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রীজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

নির্বাচনে যে দল ক্ষমতায় যায় তখন সেই দলের নেতারা সেই প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে যান। নেতারা আর মনে রাখেন না তাদের প্রতিশ্রুতির কথা। জনপ্রতিনিধিদের কাছে একাধিকবার ওই স্থানে ব্রীজ নির্মাণের দাবী করলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে ভ’ক্তভোগীরা এখনও ব্রীজ নির্মানের জন্য বর্তমান সরকারের কাছে আষাবাদী। এ বিষয়ে এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ওই জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্রীজ নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে। শীঘ্রই সার্ভের কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি উল্লেক করেন।

এবিএন/এস,এম তফিজ উদ্দিন/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ