তিতাসে ছেলে ধরা গুজব প্রতিরোধে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০১৯, ১৯:৫৭

দেশব্যাপী ছেলে ধরা গুজব কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় বিরাজমান হওয়ায় এমন গুজব প্রতিরোধ করতে এবং জনসচেতনতা মূলক প্রচারের প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও তিতাস আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী।  আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক আইন শৃংঙ্খলা সভায় এ সিদ্বান্ত হয়।

অনুষ্ঠিত সভার সভা পতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাজেদুল ইসলাম ও বিশেষ অতিথি ওসি সৈয়দ মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম এর সমন্নয়ে ছেলে ধরা গুজবে কান না দিতে, গ্রামের সাধারণ মানুষকে সচেতনতা মূলক প্রচারের মাধ্যমে এগুব প্রতিরোধ করবেন প্রশাসন এবং সভায় উপস্থিত ইউপি চেয়ারম্যানগণ স্ব-স্ব ইউনিয়নে মাইকিং করে গুজবে কান না দিতে প্রচার করবেন,মসজিদের  ইমাম সাহেব শুক্রবার ক্ষুদবায় গুজবের বিষয়ে  মুসুল্লিদের সচেতন করবেন।

এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন ভূইয়া, বরলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো.নুর নবী, জিয়ারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আলী আশ্ররাফ, ভিটিকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা, সমাজ সেবা কর্মকতা আল-আমিন, গাজীপুর খান মডেল সরকারী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন , উপজেলা র্দুনীতি দমন কমিটির সভাপতি আব্দর রব মিয়া, তিতাস প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাবর হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

এদিকে বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার জিয়ারকান্দি গ্রামে ছেলে ধরা সন্দেহে এক বেদেনিকে গণপিটুনি দিয়ে তিতাস থানা পুলিশের নিকট সপোর্দ করে এলাকাবাসী। অপর দিকে বুধবার রাতে একই উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের হাইধন কান্দি গ্রামে এক যুবককে আটক করে থানা পুলিশের নিকট সপোর্দ করে।

আটককৃৃত বেদেনি কুমিল্লা আলেখার চরের বাসিন্দা আব্দুল মালেকের স্ত্রী মেরিনা(৪০)। তার দাবি প্রতি দিনের মতো গ্রামে গ্রামে ঘুরে সংসার চালাই, আজও আমি এখানে এসেছি, আমি ছেলে ধরা না।  আমারও ছেলে মেয়ে আছে। অপরজন কুদ্দুছ(৩৫)তার বাড়ি লাকসাম উপজেলার নাউটু গ্রামের সেলিম হুজুরের ছেলে।

আজ সকালে তিতাস থানায় সাংবাদিককে তার বাবা সেলিম হুজুর বলেন দুই বছর ধরে ছেলেটি বাড়ি ছারা অনেক খুজেছি পাই নাই আল্লাহ আমার ধনকে বুকে ফিরিয়ে দিয়েছে।বছর তিনেক আগে এক্সসিডেন্ট হয়ে ছিল তার পর থেকে স্বৃতি শক্তি নাই।  ২০১৭ সালের ১১ফেব্রুয়ারী সকালে বাড়ি থেকে বের হয়।  এবিষয়ে লাকসাম থানায় জিডি করা আছে।

এবিএন/কবির হোসেন/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ