বয়স্ক ভাতার আবেদন বরগুনার এক অসহায় নারীর

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০১৯, ১৮:৫৭

স্বামী হারা ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে সন্তানের জননী মোসা: জাহেদা খাতুন,  গ্রাম- ছোট নিলগঞ্জ, ইউনিয়ন-আমতলী, থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনা। বয়সেরও দারিদ্রতার ভারে একেবারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছেন তিনি। বৃদ্ধা জাহেদা বেগমের দুবেলা দুমুঠো ভাতের জন্য হাড্ডিসার দেহ নিয়ে গ্রামে গ্রামে ছুটে যেতে হয় প্রতিনিয়ত। বসবাস করেন এক খণ্ড জমির উপর দাঁড়ানো জরাজীন একটা ছাপড়া ঘরে।

পাশাপাশি শারিরীক প্রতিবন্ধী ছোট ছেলে (২০) এবং স্বামী তালাক প্রাপ্ত মেজো মেয়ে ও তার এক সন্তান। একজন অসহায় বৃদ্ধ নারীর এতসব বোঝা নিয়ে প্রতিনিয়ত পথ চলতে গিয়ে কখনো কখনো থমকে দাঁড়ায় জাহেদা বেগমের জীবন। অথচ এই বয়সেও তিনি পান না কোনো বিধবা ও বয়স্ক ভাতা।

একান্ত সাক্ষাতে তিনি বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে স্বামী লিভার ক্যান্সারে মারা যাবার পর থেকেই খুব কষ্টে আছি। বড় ছেলে বউ নিয়ে আলাদা সংসার করে। ছোট ছেলে শারিরীক প্রতিবন্ধী আমার সাথে থাকে।এখন বয়স বাড়ছে আগের মত  শরীরে শক্তি না থাকায় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভিক্ষা করাও সম্ভব হয় না।

এজন্য মাঝে মাঝে না খেয়েও অনেক দিন রাত পার করতে হয়। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাছে বহুবার গিয়েছি একটি বিধবা বা বয়স্ক ভাতার কার্ড এর জন্য কিন্তু তাও কপালে জোটেনি।কারণ বিধবা বা বয়স্ক ভাতা কার্ড পেতে হলে ২০০০ হাজার টাকা দিতে হবে। ভিক্ষুক ভাতার জন্যও অনেক নেতা কমীদের দ্বারস্থ হয়েছি কিন্তু তাও কোন ফলপ্রসু হয়নি।

তাই চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় নেতা কমীদের একটু সু-নজর হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে অসহায় জাহেদা বেগমের স্বচ্ছলতা।


এবিএন/তুষার/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ