বান্দরবানে স্বর্ণ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ভূমি দখলের অভিযোগ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০১৯, ১০:৫৬

বান্দরবানে স্বর্ণ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা উপ ঞঞা জোত মহাথেরো প্রকাশ উচহ্লা ভান্তের বিরুদ্ধে ভূমি জবর দখলের অভিযোগ। 

গতকাল বুধবার (১২ জুন) বেলা ১২টায় বান্দরবান শহরের রাজার মাঠের রি সংসং রেস্টুরেন্টে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীরা জবরদখলকৃত ভূমি পুনরুদ্ধারের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন।  

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন ধর্মীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উপ ঞঞা জোত মহাথেরো প্রকাশ উচহ্লা ভান্তে ও তার অনুসারীরা বান্দরবানের রোয়াংছড়ি সড়কের পাঁচ কিলোমিটার নামক স্থানে ২০০৬ সাল থেকে আইন অমান্য করে এমনকি প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাতের আধারে বিভিন্ন ব্যক্তি গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০০ একর প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর আবাদি জমি জবর দখল করে এবং ধর্মীয় প্রভাব খাটিয়ে নিজস্ব বলয় প্রয়োগ করে উচহ্লা ভান্তের অনুসারীরা যৌথবাহিনীর সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় জবরদখলকৃত ভূমিগুলো উদ্ধার ও উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্বদানকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমানকেও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান মারাত্মকভাবে আহত হন। 

পরে ওই হামলায় জড়িত থাকার দায়ে সুভনা ভান্তে প্রকাশ কালাইয়া ভান্তেকে গ্রেফতার করেন যৌথবাহিনী। 

পরবর্তীতে তাকে হামলার ঘটনায় কারাগারে সাজা ভোগ করতে হয়েছিল এবং তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ ঘটনা নিয়ে তোলপাড় ভাবে সংবাদ পরিবেশিত হয়। 

ভুক্তভোগীরা আরো বলেন আমরা যারা ভুক্তভোগী সবাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক স্বাধীন সার্বভৌম আইনের শাসন বিদ্যমান সে দেশে একজন ভান্তের এমন অরাজকতা কিভাবে সম্ভব? প্রশ্ন জাগে উচহ্লা ভান্তে গংরা কি আইনের উর্ধে? তাই এই বিষয়টি সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গসহ সবাইকে জানানোর জন্য সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয়েছি। আমরা আপনাদের মাধ্যমে সত্য এবং নেয়াই প্রতিষ্ঠিত হোক এই সহযোগিতা কামনা করছি এবং আমরা ভুক্তভোগী পরিবারের জায়গাগুলি ফেরত পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মৌজা প্রদান হেডম্যান ও রাজকুমার নুমং প্রু মারমা, চট্রগ্রাম কাথলিক ধর্মপ্রদেশ ফাদার জেরোম ডিরোজারিও, বান্দরবান বড়ুয়া কল্যাণ সমিতির প্রেসিডেন্ট ও পৌর কাউন্সিলর দিলিপ বড়ুয়া, ও স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. নুরুল আলম।

এবিএন/মোহাম্মদ আব্দুর রহিম/গালিব/জসিম
 

এই বিভাগের আরো সংবাদ