আলীকদমে প্রতিবন্ধী ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ৩ ব্যক্তির স্বীকারোক্তি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ মে ২০১৯, ১২:১২

বান্দরবানের আলীকদমে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ৩ আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি। বিষয়টি প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে জানিয়েছেন আলীকদম থানার পুলিশ কর্মকর্তারা। 

গতকাল শুক্রবার (১৭ মে) লিখিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর্মকর্তারা জানান, জেলার আলীকদমে প্রতিবন্ধী তরুণী লাকাচিং তঞ্চঙ্গ্যাকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

অভিযুক্তরা ব্যক্তিরা হলেন, টিমথীয় ত্রিপুরা (২৫), জয়কুমার তঞ্চঙ্গ্যা (৩৮) ও জন ত্রিপুরা (৪৩)।

জানা যায়, হত্যার পর প্রতিবন্ধীর তরুণী লাকাচিং তঞ্চঙ্গ্যা লাশটির গলায় গামছা বেঁধে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছিলো তারা। নিহত লাকাচিং তঞ্চঙ্গ্যা আলীকদম সদর ইউনিয়নের জলন্ত মনি পাড়ার আশ্রয় কেন্দ্রের কিত্তমন তঞ্চঙ্গ্যার মেয়ে। সে ওই এলাকায় ভিক্ষা করে জীবন চালাতো এবং আসামিরাও সবাই একই এলাকার বাসিন্ধা।

আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিক উল্লাহ জানান, ২০১৮ সালের ২৫ নভেম্বর বিকালে আলীকদমের আমতলী অসতি ত্রিপুরা পাড়ার পাশে পাহাড়ে গাছে ঢালে এই তরুণীর লাশ ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। আলীকদম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এবং এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। 

পরে এলাকাবাসীরা এটিকে আত্মহত্যা বলে লাশের শেষকৃত্য করে ফেলতে চাইলেও পুলিশ তাতে বাধা দেয় এবং ময়না তদন্তের জন্যে বান্দরবান সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। 

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, লাকাচিং তঞ্চঙ্গ্যাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। সে সময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি হত্যা মামলাটি দায়ের করে পুলিশ আলীকদম থানা পুলিশ। পরে বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে তিন ব্যক্তিকে আটক করা হলে তারা দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিক উল্লাহ, অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) ও মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা কানন চৌধুরী ও উপ-পরিদর্শক নুর ইসলাম প্রমূখ।

এবিএন/মোহাম্মদ আব্দুর রহিম/গালিব/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ