কোম্পানীগঞ্জে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে ঝুমুরকে হত্যা করে বাহার

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ মে ২০১৯, ১৯:৫০

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্কুল ছাত্রী নাজমুন নাহার ঝুমুর (১১) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার আসামী চিহ্নিত হয়েছে এবং কোর্টে স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছে।

যে খাল থেকে মাথা পোঁতা অবস্থায় ঝুমুরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল, ঘটনার দিন সেই খালেই মাছ ধরছিলেন বাহার উদ্দিন (৩৫)।
আম কুড়ানো শেষে ঝুমুর খালের পাশ দিয়ে একা যাচ্ছিল। এ সময় বাহার জোরপূর্বক বাগানে নিয়ে ঝুমুরকে ধর্ষণ করে। রক্তাক্ত অবস্থায় ঝুমুর চিৎকার করলে ঝুমুরের মুখ চেপে ধরে খালের মধ্যে মাথা পুঁতে শ্বাসরোধে হত্যা করেন সে।

সোমবার সকালে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এভাবেই নিজের কুকর্মের লোমহর্ষক বর্ণনা দেন বাহার। দুপুরে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেফতার বাহার চরকঁকাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কবুতর বাড়ীর আজিজুল হকের ছেলে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে বাহারকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশু ঝুমুরকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে সে। আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল ৮টার দিকে মামাতো ভাই রাফি ও মামাতো বোন প্রমির সাথে বাড়ির পাশের বাগানে আম কুড়াতে যায় নাজমুন নাহার ঝুমুর। আম কুড়ানো শেষে অপর দুইজন বাড়িতে ফিরলেও ঝুমুর আর ফিরেনি।পরে সোনিয়া আক্তার নামের স্থানীয় এক মহিলা বাগানের পাশের খালের মধ্যে ঝুমুরকে পড়ে থাকতে দেখে বাড়িতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন এসে তার লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা শনিবার অজ্ঞাত ২-৩ জনের নামে থানায় মামলা দিলে পুলিশ বাহারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে এ সব তথ্য জানতে পারে।
 

এবিএন/গোলাম মহিউদ্দিন নসু/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ