‌‌‘শুধু চিকিৎসা নয়, অনেক ক্ষেত্রেই ডাক্তাররা অবদান রাখতে পারে’

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৫০ | আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৫৮

বাংলাদেশ সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের সাবেক ছাত্র ডা. লোতে শেরিং বলেন, চিকিৎসকদের মানুষের জন্য কাজ করার অনেক সুযোগ আছে।  ডাক্তারদের শুধু চিকিৎসা সেবা নয় সামাজিক-রাজনৈতিক অনেক ক্ষেত্রেই অবদান রাখার সুযোগ আছে।  একজন ভালো চিকিৎসক হতে হলে প্রথমে তাকে ভালো মানুষও হতে হবে।  

তিনি বলেন, ‘আমি রাজনীতিতে এসেছি, তবে আমার পেশাকে ছেড়ে নয়। ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমি চাকরি না করে, বিদেশে না গিয়ে ভুটানের মানুষকে চিকিৎসা দিয়েছি ও তাদের নিয়ে ভেবেছি। তাদের নিয়ে কাজ করেছি।  আজ আমি সে দেশের প্রধানমন্ত্রী।’

রবিবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং এসব কথা বলেন।  

ডা. লোতে শেরিং বলেন, ‘সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’ এ সময় ছাত্রাবস্থায় বিভিন্ন সময়ের ঘটনা নিয়ে অনেকের নাম উল্লেখ করে ডা. লোতে শেরিং আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।

অনুষ্ঠানে ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. টান্ডি দরজি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী লায়োনপু দিহেন ওয়াংমু, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. উগেন ডেমা, বাংলাদেশের ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য সচিব জি এম সালেহ উদ্দিন, জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. লক্ষ্মী নারায়ণ মজুমদার, ময়মনসিংহ বিএমএ সভাপতি ডা. মতিউর রহমান ভুঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং তার শিক্ষা জীবনের স্মৃতি বিজড়িত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন আসেন।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম বাংলাদেশ সফরে এসে শিক্ষা জীবনের স্মৃতি বিজড়িত কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিজের স্মৃতি রোমন্থন করে বক্তব্য রাখেন।
পরে তিনি ক্যাম্পাসে তার স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্নস্থান পরিদর্শন করেন এবং তার সহপাঠীদের সঙ্গে একান্তে কিছু সময় কাটান।  প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিংয়ের আগমনে সহপাঠী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন।

প্রসঙ্গত, ২৮তম ব্যাচের ছাত্র ডা. লোতে শেরিং ১৯৯১ সালে বিদেশি কোটায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হন। ১৯৯৮ সালে এমবিবিএস পাস ও পরে ১৯৯৯ সালে ইন্টার্নশিপ শেষে ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

এবিএন/রাজ্জাক/জসিম/এআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ