ডোমার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:৩৫

আগামী ১০ মার্চ ডোমার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী তিনজন প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে লড়াই হবে ত্রিমুখী।

অল্প ভোটের ব্যবধানে জয় পরাজয় নির্ধারন হতে পারে।ডোমার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ নৌকা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বসুনিয়া আনারস এবং সর্বদলীয় প্রার্থী হিসেবে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ নুরন্নবী মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল আলম বাবুল,জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাস্ট্রদুত আমিনুল হোসেন সরকার এবং সাবেক সংসদ সদস্য ড.হামিদা বানু শোভা প্রকাশ্যে নৌকা প্রার্থীর  বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরন্নবীর পক্ষে প্রচারনা চালাচ্ছেন। প্রতিক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা প্রচারে নেমে পরেছেন। প্রাথীরা সকাল থেকে রাতভর প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। মাইকে মাইকে চলছে প্রার্থীদের গুনগান সেই সাথে চাচ্ছে তাদের মুল্যবান ভোট।

এখানে চেয়ারম্যান পদে তিনজন,ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদেও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদেও বাড়ী বোড়াগাড়ী ইউনিয়নে। স্বতস্ত্রপ্রার্থী নুরন্নবীর বাড়ী পৌরসভার চিকনমাটি গ্রামে। অপরদিকে আওয়ামী বিদ্রোহী স্বতস্ত্র প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক বসুনিয়ার বাড়ী উপজেলার উত্তরের ইউনিয়ন কেতকিবাড়ী ইউনিয়নে।কেতকিবাড়ীর সংলগ্ন রয়েছে ৪টি ইউনিয়ন ভোগডাবুড়ি,কেতকিবাড়ী,গোমনাতি ও জোড়াবাড়ী এইসব ইউনিয়নে একচেটিয়া ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন ঐ এলাকার প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক বসুনিয়া।

তবে এবার দলীয় প্রতিকে নির্বাচন হওয়ায় ঐ সব ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ দলীয় কর্মীরা আঞ্চলিকতা বাদ দিয়ে দলীয় নৌকা মার্কায় ভোট দিলে ভোটের ফলাফল নৌকার দিকে ঝুকে পরতে পারে। এদিকে ডোমার উপজেলায় নৌকার বিশাল একটা ভোট ব্যাংক থাকলেও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ,সাবেক সংসদ,মুক্তিযোদ্ধা ও সব দলের সমর্থন নুরন্নবীর দিকে থাকায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীতা তিনি গড়ে তুলছেন বলে ভোটার রা জানান।

অপরদিকে নৌকার নিজস্ব ভোট ব্যাংকের পাশাপাশি বোড়াগাড়ী ও ডোমার সদর ইউনিয়নে তোফায়েলের রয়েছে ভোট ব্যাংক। তাছাড়া সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকারের সমর্থন রয়েছে তোফায়েলের প্রতি তাই নির্বাচনে কে জিতবে বলা মুশকিল। তাই নির্বাচন হবে ত্রিমুখী। উত্তরের  ভোট যার বাক্সে বেশি পরবে তার ভাগ্যেই পরবে বিজয়ের মালা। অপরদিকে অনেক ভোটারের মনে ভোট নিয়ে কোন আগ্রহ দেখা যাচ্ছেনা। তাদেও বক্তব্য ভোট দিয়ে কি হবে। যে জিতার সেতা জিতবেই।  


এবিএন/আব্দুল্লাহ আল মামুন/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food