চিতলমারীতে ফসল বাঁচাতে ইউএনও’র কাছে গ্রামবাসির আবেদন

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৮

বাগেরহাটের চিতলমারীতে এবার ক্ষেতের ফসল বাঁচাতে গ্রামবাসিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

আজ বুধবার দুপুরে দুই গ্রামের শতাধিক কৃষক এ আবেদন করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার দু’টি পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। নির্বাহী অফিসার বিষয়টির দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চরবানিয়ারী ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আবেদন পত্রে জানা গেছে, খড়মখালি গ্রামের ভারানি খালের পাশে খড়মখালি-দূর্গাপুর খাল পাকিস্তান আমলে অত্র অঞ্চলের কৃষকদের জন্য খনন করা হয়। খালটি স্থানীয় ভাবে কাটা খাল নামে পরিচিত। স্থানীয় প্রভাবশালী আরাফত খান উক্ত খালের ভিতরে বাথরুম তৈরী করেছে এবং খাল পাড়ের রাস্তাটি বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।

উক্ত খালের রাস্তা বালু কেটে ভরাট করলে এলাকার সাধারণ জনগনের চলাচলে মারাতœক ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে। এলাকার কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসলাদি, মাছ ও সব্জি চাষে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে এবং উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়া ড্রেজার দিয়া বালু উত্তোলন করলে এলাকার রাস্তাঘাট, বসতবাড়ী ও চাষী জমি ধসে যাবে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যে কোন সময় দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে। তাই সংঘর্ষ এড়াতে এলাকাবাসি বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

স্থানীয় কৃষক নীতি হালদার জানান, খালটি ও রাস্তাটি জনস্বার্থে অতি গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য খড়মখালি-দূর্গাপুর খাল পাকিস্তান আমলে অত্র অঞ্চলের কৃষকদের জন্য খনন করা হয়েছিল।

এ ব্যাপারে আরাফত খান জানান, উক্ত এলাকায় সাড়ে ৩৭ শতক জায়গা তার বিশ্ব মন্ডলের কাছ থেকে ক্রয়কৃত সম্পত্তি। খাল পাড়ের পথটি রেকর্ডিয় জায়গার মধ্যে। প্রতিপক্ষরা উল্টো তার উপর অত্যাচার-নির্যাতন চালাচ্ছেন। তিনিও আইনের সহয়তা চান।  

তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুসাঈদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চরবানিয়ারী ইউএলএও (তহশীলদার) কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


এবিএন/এস এস সাগর/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ