৬৯'র গণআন্দোলন

সেনবাগে নিহত ৪ শহীদের ৫০ বছরেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মিলেনি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:৪৫

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর সেনবাগবাসীর জন্য শোকবাহ এক স্মরণীয় দিন। ১৯৬৯'র এ দিনে সার্জেন্ট জহুরুল হক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সামসুজ্জোহা কে হত্যার প্রতিবাদে সেনবাগে কালো দিবস পালন কালে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন ৪ যুবক।

এরা হলেন- পৌরশহরের অর্জুনতলা গ্রামের অফিজের রহমান, বাবুপুর গ্রামের আবুল কালাম, জিরুয়া গ্রামের সামছুল হক ও মোহাম্মদপুর গ্রামের খুরশিদ আলম। ওই সময় পুলিশের গুলিতে আরো ১৮জন গুরুত্বর আহত হয়েছেন। দীর্ঘ ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত ৬৯-এর সেই ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবার পায়নি রাষ্ট্রীয় কোন সুযোগ সুবিধা এবং সংরক্ষন করা হয়নি শহীদদের কবর ।

 তৎকালীন সময়ে ঘটনার দু'দিন পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেনবাগে এসে নিহত শহীদের কবর জিয়ারত করে পরিবারের লোকজনের মাঝে ৫শত টাকা অনুদান ও একটি করে সনদপত্র তুলেদেন। সরকারি ভাবে কোন সুযোগ সুবিধা না পেলেও জিরুয়া গ্রামের শহীদ সামছুল হকের মা স্বামীর সম্পত্তি বিক্রি করে পুত্রের কবর পাকা করণ ও ছেলের নামে একটি মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু করে ইন্তেকাল করেন।

৪শহীদের রাষ্ট্রিয় স্বীকৃতির দাবীতে আজ মঙ্গলবার ১১ টায় শহরের থানার মোড়ে লেখক ফোরামের আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক,ছাত্রদের অংশগ্রহনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে । এতে ফোরামের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ আবু তাহের বক্তব্য রাখেন।

অন্যান্যের মধ্যে ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী আমান উল্যা, সাংবাদিক খোরশেদ আলম, এম এ আউয়াল, ভাসানী সংসদের সভাপতি আবদুস ছোবহান প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, আ.লীগ নেতা ভিপি দুলাল, কবি জাহাঙ্গীর বাবু,সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক মো: হারুন, খন্দকার নাজিম উদ্দিন সহ গনমাধ্যম কর্মীরা উপস্হিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯ ফেব্রুয়ারী এলেই বিভিন্ন সংগঠন মানববন্ধন, স্মারকলিপি নানা কর্মসূচী পালন করে আসছে।


এবিএন/ফিরোজ আলম ভূঞা/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ