আকর্ষনীয় হয়ে উঠছে নৌপথে মাতামুহুরী ভ্রমণ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৫৪

কিছু কিছু সৌন্দর্য্য থাকে যা অবলোকন করা যায়, যার বর্ণনা মনের ফ্রেমে বেঁধে রাখা। চোখে সামনে ভাসতে দেখা যায় সেসব সৌন্দর্য্য। ঘুরে ফিরে শুধু এই কথা গুলোই বলতে হয়- বর্ণনাতীত, বিস্ময়কর, অপার্থিব, অপরূপ, অভূতপূর্ব, অলৌকিক, অবিশ্বাস্য ইত্যাদি !

পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা ঝিরি নদীতে ঝর্ণা ধারার শব্দ, উৎপাদিত ফসল-বাঁশ-গাছ, বেত, মাছ, শসা, পেপে, কলা বয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য বেশ উপভোগ্য। যার পুরোটাই বহমান মাতামুহুরীকে কেন্দ্র করে। তাই এখন ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে আর্কষনীয় হয়ে উঠেছে নৌকা পথে মাতামুহুরী ভ্রমণ। শ্রীদুল, রতন, নন্দ, নারায়ন, রনজিত, মিন্টু ও অনুকুলসহ আট জনের একটি দল। তারা বের হয়েছেন মাতামুহুরী নদীর সৌর্ন্দয্য অবগাহণে। কয়েকদিন আগে চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের মাঝের ফাঁড়ি গিয়ে দেখা মেলে এই দলের সাথে।

তারা জানান, প্রথমে কক্সবাজার যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলে নৌ পথে মাতামুহুরী হয়ে লামা পর্যন্ত যাবার সিদ্ধান্ত নিই। সেজন্য আমরা কয়েকদিন আগে থেকে প্রস্ততি নেয়া শুরু করেছি।  এই দলের এক সদস্য রতন। সম্প্রতি দুবাই থেকে দেশে ফিরেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দুবাই ছিলাম। বিদেশে থাকা অবস্থায় অনেক কিছু দেখেছি। দেশে ফিরে মাতামুহুরীর সৌন্দর্য্য দেখার প্রবল ইচ্ছে জাগে মনে। তাই বন্ধুদের নিয়ে বেরিয়ে পড়া। তিনি বলেন, নৌকা পথে মাতামুহুরী ভ্রমণ এবং নৌকায় বসে রান্না-বান্না- এক বিচিত্র ধরনের অভিজ্ঞতা আমাদের। আপন মনে ফিরে যাই ছোট বেলার সেই বনভোজনের স্মৃতিতে।

এই দলের আরেক সদস্য শ্রীদুল, নন্দ ও নারায়ন বলেন, সেদিন ছিলো বন্ধের দিন। সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চিরিংগা স্টেশন থেকে চাঁন্দের গাড়িতে চেপে কাকারা ইউনিয়নের মাঝের ফাঁড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিই। মাঝের ফাঁড়ি ঘাট থেকে সকাল ১০টার দিকে লামার উদ্দেশ্যে আমাদের নৌকা ছেড়ে যায়।  নৌকা যখন চলা শুরু করলো তখন কি যে ভালো লাগছে তা বুঝানোর ভাষা নেই।  কয়েকজন মিলে নৌকায় বসে রান্না, সঙ্গে চলছে কয়েকজনের বে-সুরা গান। আবার কেউ কেউ চেষ্টায় আছেন মাতামুহুরীর নদীর দু’কুলের সৌন্দর্য্য ধারণে। সমান তালে চলছে ছবি আর ভিডিও ধারণ। এভাবে চলতে থাকলো আমাদের নৌকাটি।