রাণীশংকৈলে আনসার নিয়োগে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৪:১৭

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ বঞ্চিতরা গত ১৩ ফেব্রয়ারি দুর্নীতিবাজ আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আবুল কাশেম, জেলা কমান্ডেন্ট আহসান উল্লাহ ও উপজেলা প্রশিক্ষক শাহেরা খাতুনের বিরুদ্ধে রাণীশংকৈল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সন্মেলন করেছে।

সংবাদ সন্মেলনে ইউনিয়ন কমান্ডার আ. রশিদ লিখিত বক্তব্যে বলেন আমরা ৮টি ইউনিয়নের আনসার কমান্ডার ও সহকারী কমান্ডাররা দীর্ঘ ২৮-৩০ বছর ধরে কোন বেতন ভাতা ছাড়াই দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু ১ মাস পূর্বে আমাদের কর্মকর্তারা মোবাইলে জানায় যে সরকার কমান্ডারদ্বয়ের ভাতা চালু করেছে এ জন্য নিজ নিজ পদে থাকার জন্য ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ লাগবে। এজন্য আবার ১০-১৫ দিন সময় বেঁধে দেয় এ সময়ের মধ্যে আমরা ঘুষের টাকা দিতে ব্যার্থ হওয়ায় তাহারা গোপনে অন্যের কাছে টাকা নিয়ে নিয়োগ প্রদান করিয়াছে মর্মে জানিতে পারি। 

এ দিকে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে আনসার ভিডিপি কর্মকর্তারা গোপনে যাহারা বাহিরে চাকুরী করছে তাদের কে ইউনিয়ন কমান্ডার ও সহকারী কমান্ডারের নিয়োগ দিয়েছে। 

এ ছাড়াও শ্বারদীয় দূর্গাপূজা ও নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র পাহারার জন্য যাদের নিয়োগ দেন তাদের কাছেও উৎকোচ ছাড়া নিয়োগ দেন না। এ প্রসঙ্গে প্রশিক্ষক শাহেরা খাতুন বলেন আমি যে ঘুষ চেয়েছি এর কোন প্রমাণ নেই অভিযোগকারীরা অভিযোগ করতেই পারে। 

এ ব্যাপারে আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আবুল কাশেম তথ্য দিতে গড়িমশি করে বলেন এ নিয়োগ গুলো আমি দেয় না । জেলা কমান্ডেন্ট স্যার দিয়ে থাকে আপনার কোন তথ্য জানার থাকলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে পারেন। 

অভিযোগ প্রসঙ্গে জেলা কমান্ডেন্ট আহসান উল্লাহর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন পূর্বে আমাদের কোন কমান্ডার ছিলো না এ কারণে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা দক্ষ ব্যক্তিদের নামের তালিকা প্রেরণ করেছেন। ঘুষ গ্রহণের  বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন এটা একটা স্বেচ্ছাশ্রমের পোষ্ট এখানে কে বা কারা এত টাকা ঘুষ দিবে আপনিই বলেন।

এবিএন/মোঃ মোবারক আলী/গালিব/জসিম
 

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food