গলাচিপায় উপজলায় বিদ্যালয় কাম-সাইক্লোন সেল্টার হস্তান্তর

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:২৮

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় বৃহস্পতিবার উপজেলা অডিটরিয়াম হলে ২০০৭ সালের সিডর আক্রান্ত এলাকায় ফায়েল খায়ের প্রোগ্রাম এর ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক অর্থায়নে উপকূলীয় জনপদের জীবন সম্পদ রক্ষার্থে গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন এর কাছে ৬টি বিদ্যালয় কাম-সাইক্লোন সেল্টার ভবন আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করেন।

 অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও সাইক্লোন সেল্টার হস্তান্তর এবং দাবী প্রদান করেন- প্রকল্পের প্রোগ্রাম পরিচালক (পিএমও এফকপি) ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক মোঃ. সুফী মুস্তাক আহমেদ।  বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, প্রজেক্ট পরিচালক এলজিইডি ও ফায়েল খায়ের সমন্বয়ক মো. রেজাউল করিম ও বিদেশী ফরেনার ও কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক (আইএমসি) মি. পল নরম্যান বার্ড।  এ ছাড়া অনুষ্ঠানে গলাচিপা উপজেলার স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. গোলাম মোস্তফা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান সহ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ উপস্থিথি ছিলেন।

সংক্ষিপ্ত বিবরণী অনুযায়ী এই প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় মাট ৯টি বিদ্যালয় কাম-সাইক্লান সেল্টার নির্মিত হয়েছে। প্রতিটি সাইক্লোন সেল্টারে ব্যয় ধরা হয়েছিল  প্রায় ৫ কোটি টাকা।   বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ২০০৭ সালের সিডর আক্রান্ত উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক জনজীবন ও পশু সম্পদ ধংশের কারণ এবং পরবর্তী সময় অত্র অঞ্চলের জান -মাল ও পশু সম্পদ রক্ষার্থে সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশাহ্ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ এর ব্যক্তিগত আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশের উপকূলীয় বিভিন্ন জেলা উপজেলায় ১৭২ টি বিদ্যালয় কাম-সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণে ইতিমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে গলাচিপা উপজেলার আমখোলা, গোলখালী, চরকাজল ও চরবিশ্বাস ইউনিয়ন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কাম-সাইক্লোন সেল্টার এর প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহ সরকারি কর্মকর্তা ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গনমাধ্যম কর্মীরা অংশগ্রহন করেন।  

অনুষ্ঠান সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব মানবতা ও বাংলাদেশের উপকূলীয় মানুষের জীবন, সম্পদ রক্ষার্থে ফায়েল খায়ের প্রকল্পের আওতায়  উপজেলায় মোট ৯টি বিদ্যালয় কাম-সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করে হস্তান্তর করেছে।

জনপদের একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে তিনি উল্লেখ করে বলেন,  জলবায়ু পরিবর্তন ও লবনাক্ততা এবং সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় মানুষের জীবন ও সম্পদ নিরাপত্তায় অনন্ন ভূমিকা পালন করবে। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের ভবনের সার্বিক যত্নবান এবং পরিস্কার পরিছন্ন রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

এবিএন/জুয়েল/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ