নোয়াখালীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ১০

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:৫৭

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের খলিফারহাটে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে এক শিশুসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।  গুলিবিদ্ধ ১০ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় খলিফার হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, প্রথমে শিপন সমর্থিত লোকজন জহির মেম্বারের বাড়িতে ও পরে বাজারে অতর্কিতভাবে হামলা ও গুলি চালায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শিপন ও যুবলীগ নেতা জহির মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। কিছু দিন পূর্বে যুবলীগ নেতা জহির মেম্বার গুলিবিদ্ধ হয়।

এ ঘটনার মামলায় গতকাল আওয়ামী লীগ নেতা শিপন সমর্থিত তিন আসামির জামিন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শিপন সমর্থিত নেতা কর্মীরা খলিফারহাটে জহির মেম্বারের বাড়িতে হামলা চালায়। শুরু হয় ২ পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। পরে সংঘর্ষ হয়। এ সময় শিশু ও স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ ও আহত হয় অন্তত আরো ১০ জন।

গুলিবিদ্ধরা হচ্ছেন, সোলাইমান (২৮), সুমন (২৩), জসিম (৪৫),  অহিদ উল্লা (৩৫), সবুজ (২৩), মাসুদ (৩৫),  মনির আহম্মেদ (৫৫), সবুজ (২৩),  জাকের (৩০) ও শিশু শান্ত (১২)। তাদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাত সাড়ে ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সুধারাম মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শিপন ও জহির মেম্বারের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। আজ বিকেলে দু’গ্রুপের আবার সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এবিএন/রাজ্জাক/জসিম/এআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food