বাগেরহাট সদর ও কচুয়া আসনে ১৮ মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ২১:১৪

হযরত খানজাহান আলী (র:) এর পূণ্যভূমি বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-২ আসন (৯৬) এ দলীয় প্রতিক নিয়ে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার লক্ষ্যে ১৮টি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ করেছেন, বর্তমান এমপি মীর শওকত আলী বাদশা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটি ও একাদশ জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির সদস্য এবং চায়না আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও সফল সংগঠক তারুন কান্তি দাস (কান্তি), শেখ হেলাল উদ্দিনের একমাত্র ছেলে শেখ সারহান নাসের তন্ময়, বর্তমান এমপি মীর শওকত আলী বাদশা, ফরিদা আক্তার বানু লুসী, মীর জেনিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর মেয়র খান হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ বশিরুল ইসলাম, আকতারুজ্জামান বাচ্চু, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা বক্কর শিকদার, হাসিবুর রহমান ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুবুর রহমান মিঠু।

বিএনপির পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সহ-সভাপতি বর্তমানে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাগারে আটক মনিরুল ইসলাম খান, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, ব্যারিস্টার জাকির হোসেন, শ্রমিক দলের সভাপতি সরদার লিয়াকত আলী, জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুজাউদ্দিন মোল্লা সুজন।

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন জেলা সহ-সভাপতি মাস্টার ইদ্রিস আলী মৃধা।  ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের মীর সাখাওয়াত আলী দারু কে হারিয়ে বিএনপির এ এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, ১৯৯৬ সালে এ এস এম মোস্তাফিজুর রহমানকে হারিয়ে মীর সাখাওয়াত আলী দারু নির্বাচিত হন।  ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের শেখ হেলাল উদ্দিনকে হারিয়ে বিএনপির এম এ এইচ সেলিম, ২০০৮ বিএনপির এম এ সালামকে হারিয়ে ও ২০১৩ সালে বিনা প্রতিদন্দিতায় আওয়ামীলীগের মীর শওকত আলী বাদশা নির্বাচিত হন।  এ পর্যন্ত দেখা গেছে, যে দলের প্রার্থী এ আসনটি থেকে নির্বাচিত হয়েছে তারাই সরকার গঠন করেছে।

দলীয় মনোনয়ন ফরম কেনার মধ্য দিয়ে এ আসনটিতে শুরু হয়েছে বড় দুই দলের অভ্যন্তরীন কোন্দল।  শেষ মুহুর্তে কে চুড়ান্ত প্রার্থী মনোনিত হন সেটা জানতেই প্রবল আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটা। সব জল্পনা-কল্পনা অবসান ঘটিয়ে কে দলীয় মনোনীত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ নিবে সেটি দেখার বিষয়।

এবিএন/শুভংবর দাস বাচ্চু/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ