তিতাসে ব্রাক কর্মকতার টাকা ছিনতাই : সন্দেহে আটক ১

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:২৮

কুমিল্লাার তিতাস উপজেলায় ব্রাক অফিস (বন্দরামপুর শাখা) প্রোগ্রাম অফিসার মো. শিপন বৈধ্য  কাছ থেকে ১,৮৫,০০০(এক লাখ পচাশি হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয় ছিনতাই কারীরা।

এঘটনার সাথে জরিত সন্দেহে একজনকে আটক করে আজ মঙ্গলবার কুমিল্লা কোর্টে প্রেরণ করেছে তিতাস থানা পুলিশ। পুলিশ সুত্রে জানা য়ায় রবিবার সন্ধায় ব্রাক কর্মকর্তা শিপন বৈধ্য উপজেলার গোপালপুরের গ্রাহকদের কাছ থেকে ঋনের টাকা আদায় করে, মটর সাইকেল যোগে অফিসে ফেরা পথে, তখন সময় আনুমানিক সন্ধা সাড়ে ৬ টায় দড়িকান্দি ব্রীজের পূর্ব পাশে, ব্রীজের নিচে পথরোধ করে ৩/৪জন অজ্ঞাত যুবক।

 এসময় তারা ব্রাক কর্মকর্তাকে  মটর সাইকেল থেকে নামিয়ে পানিতে চুবিয়ে তার সাথে থাকা এক লাখ পচাশি হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।এঘটনায় ব্রাক কর্মকর্তা বাদী হয়ে ৩/৪ অজ্ঞাত নামা আসমী করে অভিযোগ করেন তিতাস থানায়।ঘটনায় জরিত সন্দেহে,পুলিশ দড়িকান্দি গ্রামের আব্দুল লতিফ সরকারের ছেলে মো.সৈকত(২২)কে সোমবার দিনে আটক করে আজ মঙ্ঘলবার কোর্টে প্রেরণ করেছে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় পুলিশ যাকে গ্রেফতার করে কোর্টে প্ররণ করেছে,সৈকত(২২) ভালো ছেলে তার অতিথে এমনটা শুনিনি। তবে এখানকার কয়েকজন চিহৃত ইয়বা সেবন কারীদেরকে ঘটনার পর থেকে দেখা যাচ্ছেনা। তাদেরকে খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার সত্য প্রকাশ পাবে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।

 আটক কৃত সৈকতের বড় ভাই কামাল জানান সোমবার বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টায়, দড়িকান্দি স্টেশনে আমার ডেকোরেটর দোকান থেকে সৈকতকে পুলিশ নিয়ে যায়। আমার ভাই র্নিদোষ সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরে। সৈকত এমন কাজ করতে পারেনা,তাকে শত্রুপানা করে কেউ পুলিশকে দেখিয়ে দিয়েছে।

এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ পুলিশ পরিদর্শক মোস্তফা চৌধুরী সাংবাদিককে জানান, ঘটনা রাতেই ব্রাক কর্মকর্তা শিপন বৈধ্য বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা ৩/৪জন উল্লেখ করে, থানায় অভিযোগ করেন এবং ওই রাতেই ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়েছি।পরে উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে অভিযান অব্যাহত রাখি।

 এবং ঘটনার সাথে জরিত সন্দেহে সৈকত নামের একজনকে সোমবার রাতে আটক করেছি। আজ মঙ্গলবার তাকে কোর্টে প্রেরণ করেছি।  ব্রাক কর্মকর্তা শিপন জানান রবিবার সন্ধায় গোপালপুর থেকে ৮জন গ্রাহকের কাছ থেকে ,এক লাখ পচাশি সহাজার টাকা নিয়ে মটর সাইকেল যোগে বন্দরামপুর  অফিসে ফেরার পথে, দড়িকান্দি ব্রীজের পূর্ব পাশে নিচে ৩/৪জন যুবক আমার পথরোধ করে মটরসাইকেল থেকে নামিয়ে পানিতে নিয়ে চুবিয়ে সাথে থাকা সব টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

ঘটনাটি আমার উর্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করি,কতৃপক্ষের নির্দেশে রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ করি।পুলিশ সৈকত নামে একজনকে আটক করেছে তাকে চিনতে পারছেন কি না এমন প্রশ্নে ব্রাক কর্মকর্তা বলেন আমি অজ্ঞাত নাম দিয়েছি,এবিষয়ে পুলিশ ভাল বলতে পারবে।

 তবে সৈকতের মা,ভাই,বোন ও ভাবী আমাদের গ্রাহক।তাদেরকে আমরা অনেক টাকা ঋণ দিয়েছি। এদিকে এমন ঘটনার পর সোমবার রাতে দড়িকান্দি ব্রীজের দক্ষিন পাড় স্থানীয় এক জৈনকের বাড়ীতে পুলিশের নৈশ্য ভোজ নিয়েও রহস্যে সৃস্টি হয়েছে।

 

এবিএন/কবির হোসেন/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ