খালেদা জিয়া সুচিকিৎসা ও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত: ডা. শাহাদাত হোসেন

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:৩৪

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, কারাগারে বেগম খালেদার জিয়া বাম হাত ও পা প্রায় অবশ হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি খুবই অসুস্থ।

সরকারী ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করানোর সুপারিশ করলেও সরকার তা অগ্রাহ্য করছে। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে সুচিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে সরকার। জেল কোড অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়া সুচিকিৎসা ও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত।

আজ বুধবার সকালে অসাংবিধানিকভাবে কারাগারে আদালত বসানো এবং কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে কেন্দ্রঘোষিত প্রতীকি অনশন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে তিনি আরো বলেন, সরকারের ঘনিষ্ট ব্যক্তিরা অবৈধভাবে লুটপাট করে আজকে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশ থেকে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। তাই বিশ্বের বৃহত্তম দেশকে ডিঙ্গিয়ে বাংলাদেশ আজ শীর্ষ ধনীর তালিকায়।

সকাল ১০ টা দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচিতে বিভিন্ন পেশাজীবী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দুর্যোগপূর্ণ আবহওয়া উপেক্ষা করে যোগ দেন। অনশন শেষে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নেতৃবৃন্দকে জুস পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।

এতে ডা. শাহাদাত আরো বলেন, অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনের ক্রোধ মিটাতে একেবারেই দিশেহারা। বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় সাজা দিয়েও মনের ঝাল মিঠছে না। নানামূখি ষড়যন্ত্রের ধারা এখনো অব্যাহত রেখেছে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার।

তারা কারাগারে আদালত বসিয়ে নিু আদালতকে ব্যবহার করে গোপন বিচার প্রক্রিয়ায় বেগম জিয়াকে আরেকটি মিথ্যা সাজা দেয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। কারাগারে বিচার কাজ পরিচালনা করা আইনের পরিপন্থী ও স্বাধীন বিচার বিভাগের সর্বজনীন নীতিকে অমান্য করা। কারাগারে গোপন আদালত বসানো ক্যাঙ্গারু কোর্টেরই দৃষ্টান্ত। এ সমস্ত আদালত গায়েবী নির্দেশেই পরিচালিত হয়।

বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সামশুল আলম, সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি‘র সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, মো: মিয়া ভোলা, হাজী মো: আলী, আশরাফ চৌধুরী, হারুন জামান, সৈয়দ আহামদ, মাহাবুব আলম, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, লায়ন কামাল উদ্দিন, ইকবাল চৌধুরী, এড. আবদুস সাত্তার সরওয়ার,এস এম আবুল ফয়েজ, এম এ হান্নান, সাবেক কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার সেলিম, আবু মুসা, বেলায়েত হোসেন ভুলু, কবি সিরাজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, গোলাম কিবরিয়া গোলাপ, জোনাব আলীসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবী করেন।


এবিএন/রাজীব সেন প্রিন্স/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ