কোটচাঁদপুরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:২১

কোটচাঁদপুরের দয়ারামপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম করে প্রতিষ্ঠানের গাছ বিক্রি ও কমিটি গঠনের অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে ওই প্রতিষ্ঠানের গাছ কেটে বিক্রি করা হয়ে থাকে।  সংশ্লিষ্টরা কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সম্প্রতি আবারও প্রতিষ্ঠানের গাছ কেটে বিক্রি করেন তারা।  যার কোন রেজুলেশন বা গাছ বিক্রির কোন টাকার হিসাব নেই অধ্যক্ষের কাছে।  এ ছাড়া ইতোমধ্যে অধ্যক্ষ নিয়ম বহির্ভূতভাবে কমিটি গঠন করে দিয়েছেন বলে একাধিক অভিযোগও রয়েছে।

এ ব্যাপারে কথা হয় এলাকার রাইচ মিল ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন বলেন, গাছ বিক্রি করেছেন তা আমি কিছু জানিনা।  আর টাকা কি কাজে লাগিয়েছে তাও জানিনা।  এ ছাড়া তিনি রাতে আধারে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ম্যানেজিং কমিটি করে দিয়েছেন।  

কথা হয় বক্তিয়ার হোসেনের সঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমে গাছ বিক্রি করেন ২২ টি মেহগনি ১লাখ ২০ হাজার টাকা, পরে বট গাছ বিক্রি করেন  ৭৫ হাজার টাকা, এরপর গাছ বিক্রি করেন ৩৩ হাজার টাকা।  যার কোন হিসাব নাই।  এ ছাড়া অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ ও সহকারী অধ্যক্ষ আব্দুল হাই যোগসাজসে রাতের আধারে তাদের সুবিধা মত লোককে সভাপতি করে কমিটি গঠন করে তা পাশ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।  

এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী মুক্তার হোসেনের কথা বলে জানা যায়, এর আগে গাছ বিক্রি সময় ৫ হাজার টাকা জামানত জমা রেখে ডাকের মাধ্যমে গাছ বিক্রি করা হয়েছে।  এরপর থেকে যত গাছ বিক্রি হয়েছে তা কেউ জানতে পারে না।  কমিটি গঠন নিয়েও অভিযোগ করেন তিনি।  

মাদ্রাসার বর্তমান সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, আমি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আমাকে না জানিয়ে অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ ও আব্দুল হাই গাছ বিক্রি করে দিয়েছেন।  ওই টাকা কি করেছেন তাও আমি জানি না।  কমিটি গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি নির্বাচনের জন্য তালিকা তৈরী করে দিয়েছি।  কিন্তু ওই দুই জন আমাকে কিছু না বলে রাতের অন্ধকারে পকেট কমিটি গঠন করে তা পাশ করার পায়তারা চালাচ্ছে।  

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ বলেন, এর আগে কমিটি নিয়ে কোন গোলযোগ হয়নি।  এখন তারা সভাপতি না হতে পেরে এ সব করছে।  গাছ বিক্রি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গাছ বিক্রির সব টাকা কাজে লাগানো হয়।  কোন অপব্যবহার হয় না।  গাছ কাটার কোন রেজুলেশন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না কোন রেজুলেশন করা হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রতন মিয়া বলেন, এখন অভিযোগ করে কোন লাভ নাই।  কমিটি গঠনের সময় কেউ কোন কথা বলেন না।  তিনি গাছ কাটার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।  আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

এবিএন/সুব্রত সরকার/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ