ধর্মপাশায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ভাতার টাকা কেড়ে নেয়ার অভিযোগ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৩৬

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় হক্কু মিয়া নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সেলিম মিয়া (২৮) নামে তারই ওয়ার্ডের এক প্রতিবন্ধী যুবকের কাছ থেকে ভাতার সাড়ে চার হাজার টাকা জোর করে কেড়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সুখাইড়-রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ঘুলুয়া গ্রামের মৃত জামির খাঁর প্রতিবন্ধী ছেলে সেলিম মিয়া বাদি হয়ে ওই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হক্কু মিয়ার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে এ লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেন।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার সুখাইড়-রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হক্কু মিয়া গত প্রায় ১ বছর আগে তারই ওয়ার্ডের ঘুলুয়া গ্রামের মৃত জামির খাঁর প্রতিবন্ধী ছেলে সেলিম মিয়ার নাম অসচ্ছল প্রতিবন্ধী তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করেন।  যার বহিঃ নম্বর ১১৬৩ ও ব্যাংক হিসাব নম্বর এন-১৬৫১০।  

অসচ্ছল প্রতিবন্ধী সেলিম উক্ত হিসাব নম্বরের এক বছরের ভাতার টাকা বাবত তিনি ১৫হাজার ৫শত টাকা গত ১৯ আগস্ট দুপুরে ধর্মপাশা সোণালী ব্যাংক শাখা থেকে উত্তোলণ করেন এবং টাকা তাৎক্ষনিকভাবে তিনি একটি অটোরিকশা যোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।  তার অটোরিকশাটি উপজেলা সদর ইউনিয়নের বাহুটিয়া গ্রামের কাছাকাছি যাওয়া মাত্রই ইউপি সদস্য হক্কু মিয়া ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল যোগে তিনি সেখানে গিয়ে সেলিমের আটোরিকশাটির গতিরোধ করেন।  এ সময় তিনি তার কাছ থেকে জোরপূর্বক সাড়ে চার হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন এবং টাকা নেওয়ার বিষয়টি কাউকে জানালে তিনি প্রতিবন্ধী তালিকা থেকে সেলিমের নাম কেটে দিবেন বলেও হুমকি দেন।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. হক্কু মিয়া বলেন, আমি সেলিমের কাছ থেকে জোর করে কোনো টাকা নেইনি।  তবে সেলিম খরচ করার জন্য আমাকে খুশি হয়ে আড়াই হাজার টাকা দিয়েছে।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কান্তি চক্রবর্তী অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানার ওসির নিকট পাঠিয়েছি।

ধর্মপাশা থানার ওসি (তদন্ত) মো. শফিকুজ্জামান বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং খুব দ্রুতই তদন্ত করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মো. ইমাম হোসেনএবিএন//জসিম/রাজ্জাক

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ