বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৮:২৪

৩৬ বছর আগে স্বামীর করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গেছে আজ থেকে ৩৬ বছর আগে ১৯৮৫ সালে মাহবুবের রহমানের বিয়ে করা স্ত্রী পেয়ারা বেগমের সাথে পরকিয়ার সমপর্কে জড়ান তারই ভাই নাছির উদ্দিন। পরে তারা পালিয়ে বিয়ে করলে মাহবুব স্ত্রী ও ভাইকে আসামী করে মামলা করেন। ৩৬ বছর পলাতক থাকার পর তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলে- আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে নাছির উদ্দিন (৬০) ও ভাগিয়ে বিয়ে করা তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৫০)।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ও এসআই মাহবুব আলম সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের দল চট্রগ্রামের আকবর শাহ থানাধীন সিটি গেট এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, ১৯৮৫ সালে নাছির উদ্দিন পরকীয়া করে তার ভাই মাহবুবের রহমানের বিয়ে করা স্ত্রী পেয়ারা বেগমকে ভাগিয়ে বিয়ে করেন। ১৯৮৫ সালের জানুয়ারি মাসে মহাবুবের রহমান বাদি হয়ে ভাই নাছির উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে তৎকালীণ সময়ে দন্ডবিধি ৪৯৬/৩৭৯/৩৪ ধারা মোতাবেক প্রতারণমূলকভাবে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অপরাধে মামলা দায়ের করেন।

তৎকালীণ সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৯৮৫ সালের ৫ অক্টোবর নাছির উদ্দিন ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগমকে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বিয়ের পর থেকে নাছির উদ্দিন চট্রগ্রামে গিয়ে পেয়ারা বেগমকে নিয়ে নতুন সংসার গড়েন। চট্রগ্রামের বিভিন্নস্থানে বসবাসের পর সর্বশেষ চট্রগ্রামের আকবর শাহ থানাধীন সিটি গেট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

এর মধ্যে ওই দম্পতি চার ছেলে সন্তানের জনক-জননী হন।তিন ছেলেকে ইতোমধ্যে বিয়েও করিয়েছেন।

স্ত্রীকে হারিয়ে মাহবুবের রহমান আরেকটি বিয়ে করে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ