ডোমারে সূর্যমুখী চাষে আশাবাদী কৃষক

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৬:৫১

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় কৃষি পুনর্বাসনের আওতায় বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমূখীর চাষাবাদ শুরু হয়েছে। এবারে উপজেলায় প্রদর্শনীসহ ৩’শ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। সূর্যমুখীর ফুল ফুটতে শুরু করেছে। চারদিকে হলুদ রঙ্গের অপরুপ দৃশ্য। সুর্যমুখীর বাম্পার ফলনে কৃষিতে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে কৃষকরা।

বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের কৃষক রাম বাবু বলেন, সূর্যমূখী একটি লাভ জনক ফসল। অন্যান্য ফসলের চেয়ে চাষাবাদে খরচ ও সময় কম লাগে। জমিতে ২টি চাষ দিয়ে সূর্যমুখী রোপণ করা যায়। রোপণ থেকে কর্তন পর্যন্ত ২ থেকে ৩ হাজার টাকা খরচ হয়।

পৌরসভার চিকনমাটি গ্রামের কৃষক ইয়াকুব আলী বলেন, সূর্যমুখীর জমিতে দুইবার সেচ ও অল্প কিছু সার দিলেই হয়। একটু পরিচর্যা করলে বিঘা প্রতি ৭ থেকে ৮মন ফলন উৎপাদন করা যায়।
 
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব বলেন, সূর্যমুখী বীজ রোপনের ৫৫ দিন হতে ৬০দিনের মধ্যে গাছে ফুল আসা শুরু করে। ফুল ঝড়ে বীজ সংগ্রহ করতে ১১০দিন সময় লাগে। কৃষকদের স্বাম্বলম্বী করতেই সুর্যমুখী ফুল চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রতিদিনেই আশপাশের এলাকা থেকে সৌন্দর্য পিপাসুরা দল বেধে আসছেন সুর্যমুখী ফুলের বাগান দেখতে। বাগানগুলোতে বর্তমানে হলুধ রঙ্গের ফুলের অপরুম দৃশ্য চোখে দেখার মত। চাষীরা জানিয়েছেন আগে জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজী চাষ করতেন। এ বছর কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবারের মত সুর্যমূখী ফুলের চাষ করছেন। কৃষি অফিস থেকে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আনিছুজ্জামান জানান, ২০২০-২১ অর্থ বছরে কৃষি পুনর্বাসনের আওতায় ২’শ জন কৃষককে সরকারিভাবে ১ কেজি সূর্যমূখী বীজ দেয়া হয়েছে। কম খরচে বেশী লাভের সুযোগ থাকায় অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। একটু পরিচর্যা নিলে প্রতি বিঘায় ১০ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।

এবিএন/মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন/গালিব/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ