পেঁয়াজ বীজ চাষি শাহীদা বেগমের মাঠ পরিদর্শন করেছেন প্রকল্প পরিচালক

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৮:৩৪

কালো সোনা হিসাবে পরিচিত “পেঁয়াজের বীজ” আর পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন করে সাফল্য পেয়েছেন ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চাষি শাহীদা বেগম। গত ১৫বছর ধরে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন করে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি একজন সফল নারী কৃষানী হিসাবে আলোচিত হয়েছেন সারা দেশে। আর সে কারনেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চাষিরা ছুটে আসেন শাহীদা বেগমের পেঁয়াজ বীজের মাঠ দেখতে। শুধু চাষিরাই নয় মাঠ পরিদর্শনের আসছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি ও মসলা গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তাগণ।

সোমবার দুপুরে শাহীদা বেগমের মাঠ পরিদর্শণ করেন বিএডিসি’র মানসম্পন্ন মসলা বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো: জামিলুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এস এমই কৃষক ও বিএডিসি’র চুক্তিবদ্ধ চাষি শাহীদা বেগম, বিএডিসি ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক (ক:গ্রো:) মো: সাইয়ুম মল্লিক, বক্তার খান, কৃষক আলমাস হোসেন।

মাঠ পরিদর্শন কালে বিএডিসি’র মানসম্পন্ন মসলা বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো: জামিলুর রহমান বলেন, চলতি মৌসুমে বিএডিসি’র চুক্তিবন্ধ চাষিদের মাধ্যমে ফরিদপুর অঞ্চলে ২৮একর জমিতে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন করছে। চাষিদের উৎপাদিত বীজ বাজার মূল্যের চেয়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বেশী মূল্যে ক্রয় করা হবে হলে তিনি চাষিদের আশ্বাস প্রদান করেন।

পেঁয়াজ বীজ চাষি শাহীদা বেগম বলেন, চলতি মৌসুমে আমি ১৩৫বিঘা জমিতে তাহেরপুরী, বারি-১, বারি-৪, সুখ সাগর, কিং, নাসিক কিং ও হাইব্রিড জাতে পেঁয়াজ বীজ চাষ করেছি। আসা করছি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না এলে ২২৫ থেকে ২৩০মন বীজ উৎপাদন হবে বলে আসা করছি।


এবিএন/কে এম রুবেল/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ