ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভুটানকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দল

মাদারীপুরে স্বামীকে মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর জখম

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০১৮, ১৮:৪০

মাদারীপুর, ২৭ আগস্ট, এবিনিউজ : সংবিধানে নারী-পুরুষ সমান অধিকারের কথা বলা হলেও শুধুমাত্র নারী নির্যাতনের আইন আছে। কিন্তু পুরুষ নির্যাতনের কোন আইন নাই। শুধু পুরুষ নির্যাতন আইন কেন নয়, সরকারের কাছে এমন প্রশ্ন লক্ষ জনতার ?।

মাদারীপুরের ডাসার থানা এলাকার নাদের হাওলাদার (শ্বশুর বাড়ী) বাড়ীতে ডেকে নিয়ে আটকিয়ে এক যুবককে নির্মম নির্যাতন ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। নিজ স্ত্রী ও তার ভাইসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয়রা মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ভূক্তভুগি ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, জেলার কালকিনি উপজেলার ডাসার থানার বালিগ্রাম ইউনিয়নের বোতলা এলাকার মৃত্যু আহদে হাওলাদারের ছেলে মনির হাওলাদার প্রায় ৯ বছর আগে বিয়ে করে একই থানার ঘোসেরহাট এলাকার নাদের হাওলাদারের মেয়ে শাহিনুর বেগম(২৬)কে। তাদের ঘরে ৪ বছরের একটি ছেলেও আছে।

তবে কিছুদিন সংশার করার পর থেকে প্রায় মনিরকে চাপ প্রয়োগ করতো বাড়ীর জায়গাজমি বিক্রি করে স্ত্রীরির বাপের বাড়ী নিয়ে আসতে। কিন্তু কিছুতেই রাজি করাতে পারছিলোনা মনিরকে। এরই প্রপেক্ষিতে গতকাল রবিবার রাতে স্ত্রীর ভাগনি জামাই খোকনকে দিয়ে শশুর নাদের হাওলাদারের বাড়ীতে ডেকে নেওয়ার পরে তিনশত টাকার ননজুডিশিয়াল একটি (ব্লাঙ্ক)স্টাম্প নিয়ে স্বাক্ষর দিতে বলে স্ত্রী শাহিনুর বেগম।

স্বাক্ষর দিতে না চাইলে স্ত্রীর বড় ভাই সোহেল হাওলাদার(৩০) চাচাতো ভাই কালাম হাওলাদার(৪২) ভাগনি জামাই খোকন ঘরের ভিতর প্রবেশ করেই মনিরকে প্রথমে হুমকি ধামকি এক পর্যায় রশি দিয়ে হাত বাধেঁ বেধরক মারধর শুরু করে ও বটি দিয়ে মাথার উপর কুপিয়ে গুরুতর আহত করে মনিরের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা আগাইয়া আসলে তাদের সোহেল হাওলাদার বলে মনির গলায় রশি দিতে চায় তাই এই চেচামেচি। এর বেশি নয়, আপনারা চলে যান এটা পারিবারিক ব্যাপার।

স্থানীয় এক লোকের সহযোগিতায় মনির আটক ঘরের থেকে বের হয়। পরিবার ও স্থানীয় লোকজন আহত উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গুরুতর আহত মনিরের মা অভিযোগ করে বলেন, আমার একটি মাত্র ছেলে তাকে প্রায় বউ ও তার ভাই হুমকি ধামকি দিতো তাদের কথা না শুনলে আমার ছেলেকে মেরে ফেলবে। এখন সত্যি সত্যি আমার ছেলে মেরেফেলার জন্য মাথার উপর কুপাইছে। আমি আমার ছেলেকে যারা নির্মম ভাবে মাধর করেছে, আইনের মাধ্যমে তাদের বিচার চাই। এই বিচার দেখে যাতে কোন স্ত্রী আর স্বামীকে নির্যাতন করতে না পারে।

এব্যাপরে ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নাসির উদ্দিন মুঠোফোনে জানান, আমরা আগে শুনিনি তবে কিছুখন আগে আমাদের কাছে লোক আসছে। অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 
এবিএন/সাব্বির হোসাইন আজিজ/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ