শার্শার নাভারনে হোমিও প্যাথিক মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০১৮, ২১:০৩

শার্শা (যশোর), ১৮ আগস্ট, এবিনিউজ : শার্শার নাভারনে হোমিও প্যাথিক প্যারা-মেডিকেল কলেজের নামে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল। আস্তে আস্তে মুখ খুলতে শুরু করেছে ভুক্তভোগি ব্যক্তিরা।

হোমিও প্যাথিক প্যারা-মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে হলে কমপক্ষে শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কিন্তু অত্র কলেজের পরিচালক ডাঃ ওবায়দুল কাদির নিয়ম-নীতি না মেনে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ভুয়া সনদ দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করে থাকে। একটি কলেজ চালাতে হলে কমপক্ষে ৪জন ডিএইচএমএস ডিগ্রীধারী শিক্ষক থাকা আবশ্যক। কিন্তু সেখানে এ ধরনের কোন শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে পরিচালক একাই চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানের সমস্ত কার্যক্রম।

হোমিও প্যাথিক প্যারা-মেডিকেল বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী একটি কেন্দ্রে পরীক্ষা চালাতে হলে জেলা প্রশাসক, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে অবগতির জন্য পরীক্ষার প্রোগ্রামের অনুলিপি দেওয়া আবশ্যক।
কিন্তু শার্শার নাভারন হোমিও প্যাথিক প্যারা-মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডাঃ ওবায়দুল কাদির নিয়ম-নীতি না মেনে কাউকে অবহিত না করে নিজের ইচ্ছা মত মনগড়া আইনে চুরি করে পরীক্ষার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার প্রশ্ন প্রশাসনিক কোন দপ্তরে বা স্থানীয় কোন ব্যাংকে রাখার নিয়ম থাকলেও সেখানে না রেখে পরিচালক ডাঃ ওবায়দুল কাদির নিজের কাছে রেখে দেন এবং প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে স্থানীয় সাংবাদিকদের নাম করে ৫শ’ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।    

বাগআাঁচড়া বাজারে হোমিও চিকিৎসক আব্দুস সামাদ তার এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সনদপত্র না থাকলেও সে এই হোমিও প্যাথিক প্যারা-মেডিকেল কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে হোমিও চিকিৎসা। এ ধরনের পরীক্ষা দিতে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডাঃ ওবায়দুল কাদিরকে দিতে হয় মোটা অংকের টাকা। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। টাকা দিলে এক জনের পরীক্ষা অন্য জন দিতে পারে এ প্রতিষ্ঠানে।
 
এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল’র নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, নাভারনে হোমিও প্যাথিক প্যারা-মেডিকেল কলেজ নামে কোন প্রতিষ্ঠান আছে কিনা আমার জানা নাই। পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ সংক্রান্ত কোন চিঠিপত্র আমার দপ্তরে কখনই আসেনি।

এবিএন/ইয়ানূর রহমান/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ