উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিশা দিচ্ছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২০:১৮

গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। শুরুটা ২০০৩ সালে হলেও অগ্রযাত্রা মূলত ২০১১ থেকে। ইউএস-বাংলা গ্রুপ দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠানটির নামের সঙ্গে ‘কোয়ালিটি এডুকেশন’ শব্দটি যেমন অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত হয়েছে, তেমনি উন্নত ভৌত-কাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা পেয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিশা পেয়েছে এখানকার হাজার হাজার শিক্ষার্থী।

উন্নত জাতির দর্পণ হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার হাতিয়ারও তাই। যদিও কালের বিবর্তনে তা কিছুটা পরিবর্ধন ও পরিমার্জনশীল। সহজভাবে বলা যায়,‘সমৃদ্ধ ও উন্নত আগামী’ গড়তে বর্তমানে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগড়ে তোলা নয়, বরং এর মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়নও গুরুত্বপূর্ণহয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ সে কাজটিই করছে গত ১৪ বছর ধরে।

‘ক্যারিয়ার’ গড়ে দিচ্ছে গ্রিন

গ্রিনই একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যারা প্রত্যক্ষভাবে তাদের গ্রাজুয়েটদের কর্মক্ষেত্র নির্ধারণে সহায়তা করছে। প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা বলছেন,উচ্চশিক্ষা শেষে প্রতিবছর যত সংখ্যক শিক্ষার্থী চাকরির প্রতিযোগিতায় নামছে, সে তুলনায় দেশে শূণ্যপদের সংখ্যা অনেক কম। তাছাড়া যোগ্যতা থাকার পরও সামাজিক ও রাজনৈতিকসহ নানা কারণেই শিক্ষার্থীরা তাদের কাক্সিক্ষত ক্যারিয়ার গড়তে পারে না। মূলত সেসব শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি। ইউএস-বাংলা গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সিজিপিএ (৩.৫০) ও ইংরেজিতে দক্ষ হলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসহ গ্রুপটির ১০টি প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকারভিত্তিতে চাকরি পাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির গ্রাজুয়েটরা।

শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনের গ্রিনের আরো একটি বড় উদ্যোগ হলোÑ প্রফেশনাল লাইফ স্কিল ডেভেলপমেন্ট (পিএলএসডি) কোর্স। যার মূল উদ্দেশ্যই শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করা। পাশাপাশি ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ ক্লাসের মাধ্যমে গ্রাজুয়েটদের চাকরি পাওয়ার হতাশাও দূর হয় এই কোর্সের মাধ্যমে। বিবিএ পাস করার সাব্বির বিন সামস জানান, ‘চাকরি আবেদনের জন্য পরিপক্ক জীবনবৃত্তান্ত লিখন কিংবা কাভার রাইটিং গুছিয়ে লিখতে পারতাম না। শুধু তাই নয়, ইন্টারভিউ বোর্ডের ইমেপ্রশন ও তাতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করানোর উপায় সম্পর্কেও ধারণা ছিল না, পিএলএসডি কোর্সের মাধ্যমে সেই যোগ্যতা হয়েছে।’ সাব্বিরের ধারণা, এই কোর্স করার ফলেই বর্তমানে তিনি নিজের প্রতিষ্ঠান গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে চাকরি করছেন।

এর বাইরেও গ্রাজুয়েটদের চাকরি সুবিধা দিতে গড়ে তোলা হয়েছে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিসিডি)। যে সেন্টারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি কর্মক্ষেত্রে আবেদনের মাধ্যমে কাক্সিক্ষত চাকরি বেছে পারছেন গ্রিনের শিক্ষার্থীরা। গ্রাজুয়েটদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি নিশ্চিত করতে চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে সোলারল্যান্ড, হরাইজন, সিনকসসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। নিয়মিতভাবে ‘জব ফেয়ার’ আয়োজন করাও এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম কাজ।

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে ‘দক্ষ শিক্ষক’ তৈরি করছে গ্রিন

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের প্রধান শর্ত ‘দক্ষ শিক্ষক’। সেটিকে আমলে নিয়েই নতুন যোগদানকারী শিক্ষকদের জন্য সার্টিফিকে কোর্স চালু করেছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি। গ্রিন ইউনিভার্সিটি ছাড়া মাত্র দুটি বিশ^বিদ্যালয়ে (১টি পাবলিক, অন্যটি প্রাইভেট) এই কোর্স চালু রয়েছে। গ্রিনে নতুন যোগদান করা সব শিক্ষকের জন্য এই কোর্স বাধ্যতামূলক। যে কোর্সের সার্টিফিকেট না পেলে তার চাকরি স্থায়ী করা হয় না, প্রমোশন হয় না। 

এই কোর্স পরিচালনার জন্য গ্রিনে রয়েছে সেন্টার অব এক্সিলেন্স ফর টিচিং অ্যান্ড লার্নিং। এর মাধ্যমে নতুন শিক্ষকদের প্রথমে চার দিনের ইনসেনটিভ ট্রেইনিং কোর্স করানো হয়। এরপর তারা ক্লাসে যান। পরবর্তীতে চার মাসব্যাপী এই কোর্স চলতে থাকে, যার ক্লাস সপ্তাহে একদিন ৩ ঘণ্টা ধরে হয়। বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির নিজে এই কোর্স পরিচালনা করেন।

জাপানিজ ভাষার পরীক্ষা ‘নাট-টেস্ট’র একমাত্র সেন্টার

জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের আন্তর্জাতিক পরীক্ষা ‘নাট টেস্ট’র একমাত্র সেন্টার গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে অবস্থিত। আগে এই পরীক্ষা দিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নেপাল যেতে হত। বর্তমানে বাংলাদেশ তো বটেই, ভারতের অনেক শিক্ষার্থীও প্রতি দু’মাস অন্তর গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে এই পরীক্ষা দিতে পারছেন। এর মাধ্যমে জাপানে পড়াশোনায় ইচ্ছুক শিক্ষার্থী এবং ভিসা আবেদনে আগ্রহীদের নানা সুযোগ করে দিচ্ছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি জাপানের সেনমন কিয়োকিউকু পাবলিশিংয়ের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী এই সেবাদান করছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি।

নতুনঅর্জন আইইবি অর্জন

সম্প্রতি নতুন অর্জন যোগ হয়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে। অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী, মানসম্মত ল্যাব, লাইব্রেরি ও শ্রেণিকক্ষ পরিচালনার স্বীকৃতিস্বরূপ ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) কর্তৃক অ্যাক্রেডিটেশন পেল গ্রিন ইউনিভার্সিটির ‘কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই)’ ও ইলেক্ট্রিক্যাল এ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ। বাংলাদেশে যতগুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে; এর মধ্যে মাত্র কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আইইবি স্বীকৃতির আওতাভূক্ত।

ইংরেজিতে অধিক গুরুত্ব

ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ট যোগাযোগ রয়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটির। সে হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতি সেমিস্টারে ‘বুক রিডিং কম্পিটিশন’ আয়োজন করে থাকে ব্রিটিশ কাউন্সিল। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইংরেজির প্রতি অধিক মনযোগী হন। প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর বাধ্যতামূলকভাবে করতে ‘ইংলিশ ফর একাডেমিক পারপাস (ইএপি)’ কোর্স। তাছাড়া কোর্স কারিকুলাম থেকে শুরু করে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ, ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ডিবেট কম্পিটিশন, প্রেজেন্টশন কম্পিটিশন, করপোরেট লেকচারসহ অধিকাংশ অনুষ্ঠানগুলো ইংরেজিতে পরিচালনা করাও এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কাজ। এছাড়াও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন দুইশতাধিক ইংরেজি পত্রিকা ‘দি ডেইলি স্টার’ রাখা হয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। যা পড়ে শিক্ষার্থীরা সহজেই ইংরেজিতে সমৃদ্ধ করতে পারেন।

শিক্ষক-কর্মকর্তার বেতনে দরিদ্র মেধাবীদের ফান্ড

গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রিন ইউনিভার্সিটির সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হলো ‘স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ফান্ড’ গঠন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকিরের উদ্যোগে গড়া এই ফান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মকর্তারা মাসের শুরুতে নির্দিষ্ট পরিমান (সর্বনিম্ন ১০০টাকা থেকে শুরু) টাকা প্রতি মাসে দিয়ে থাকেন। গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রত্যেক সেমিস্টারে এই ফান্ড থেকে বৃত্তি পেয়ে থাকেন। পুরো বিষয়টি দেখভালের জন্য একটি কমিটিও গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

স্টুডেন্ট মেন্টরশীপ প্রোগ্রাম

মানসম্মত শিক্ষার্থী নিশ্চিত করতে ‘স্টুডেন্ট মেন্টরশীপ প্রোগ্রাম’ বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সিনিয়র শিক্ষার্থীরা উপদেশ-পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যে ধারা প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়। এরপর ২য় সেমিস্টার থেকে শুরু হয় একাডেমিক এ্যাডভাইজিং। এর মাধ্যমে বিভাগীয় শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে ‘ওয়ান টু ওয়ান’ যোগাযোগ করে থাকেন। যা পরবর্তী চার বছর পর্যন্ত চলতে থাকে।এছাড়া ৬ সেমিস্টার পর যেসব শিক্ষার্থীদের সিজিপিএ ৩.৫ বা তার অধিক, তাদের নিয়ে ৭টি মডিউল সমৃদ্ধ এবং এক বছর মেয়াদী গ্রিন ইউনিভার্সিটি ইনিশিয়েটিভ ফর ফিউচার ট্রান্সফরমার (গিফট) নামক একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে কাজ করা হচ্ছে।

স্কলারশিপে বিদেশে পড়ার সুবিধা

গ্রিন ইউনিভার্সিটির কার্যক্রম বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্র-শিক্ষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা, যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হাডারস্ফিল্ড, চীনের বেইজিং ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচারাল ইউনিভার্সিটি (বিএলসিইউ), উহান টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটি ও মালয়েশিয়ার বাইনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্কলারশিপে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে আইইএলটিএস, চাইনিজ এবং জাপানিজ ভাষার ওপর বিশেষ সার্টিফিকেট কোর্স রয়েছে; যেটা সম্পন্ন করে সহজেই এখানকার ছাত্র-ছাত্রীরা বিদেশে উ”চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন।

অভিজ্ঞ, দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষকমন্ডলী

যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে সদা সচেষ্টগ্রিন বিশ্ববিদ্যালয়। এ ক্ষেত্রে ফার্স্টক্লাসধারী লিখিত, প্রেজেন্টশন ও ভাইভা পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, নিয়োগদানের পর তাদের (শিক্ষক) শিক্ষাদান দক্ষতা বৃদ্ধিতেসেমিস্টারজুড়ে (চার মাস) প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যে ধারা গ্রিন ইউনিভার্সিটি ছাড়া মাত্র দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু রয়েছে।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির পাঠদান করা প্রবীণ শিক্ষকরাও তুলনামূলক অধিক যোগ্য ও অভিজ্ঞ। প্রশিক্ষণ জগতের বরেণ্য ব্যক্তিত্বঅধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বর্তমানে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। ব্রাক ইউনিভার্সিটির সাবেক এই উপ-উপাচার্য দীর্ঘদিন যাবৎ যুক্তরাষ্ট্রের এসআইটি গ্রাজুয়েট ইনস্টিটিউটে ‘ভিজিটিং প্রফেসর’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।উপ-উপাচার্য হিসেবে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড বিভাগের পথিকৃৎ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে অধ্যাপনা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।এ্যাকাউন্টিংয়ের জীবন্ত কিংবদন্তী অধ্যাপক ড. এম এম খান পাঠদান করছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই অধ্যাপক বেসরকারি আশা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

টেক্সটাইলের ওপর দেশের একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ‘বুটেক্স’-এর প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য (সাবেক) অধ্যাপক ড. নিতাই চন্দ্র সূত্রধরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে গ্রিনের টেক্সটাইল বিভাগ।এসবের বাইরেও শিক্ষার্থীদের ‘কোয়ালিটি এডুকেশন’ সুবিধা নিশ্চিত সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি।বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাসÑ মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই জাতিকে উন্নত থেকে উন্নততর রাস্তায় নিয়ে যেতে পারে। আর এ লক্ষ্যেই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে অনন্য, অনবদ্য সমৃদ্ধির প্রতীকে রূপ দিতে সদা সচেষ্টস্বনামধন্য উ”চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ