বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু, কড়া নিরাপত্তা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৪১ | আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৫৯

আবরার ফাহাত হত্যার পর নানা নাটকীয় ঘটনার পর সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। এজন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

আজ সোমবার সকাল ৯টায় এই পরীক্ষা শুরু হয়। এতে এক হাজার ৬০টি আসনের বিপরীতে পরীক্ষা দিচ্ছেন ১২ হাজার ১৬১ জন। অর্থাৎ আসনপ্রতি লড়ছেন ১১ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

আবরার ফাহাদকে হত্যা করার ঘটনায় এক সপ্তাহ ধরে উত্তাল ছিল বুয়েট। তবে শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার জন্য আন্দোলন শীথিল করলে আজ থমথমে পরিবেশে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ।

পরীক্ষা শুরুর আগে বুয়েটের ২ নম্বর গেটে গিয়ে দেখা যায়, পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়। বুয়েট কর্তৃপক্ষ মাইকে বারবার ঘোষণা করছিলেন, শুধু ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরাই ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। অভিভাবকরা গেটের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র খুলে উঁচু করে তা হাতে নিয়ে গেটের দিকে এগোনোর জন্য আহ্বান করছি।’

নিরাপত্তার স্বার্থে বুয়েট ক্যাম্পাসের ভেতরে অভিভাবকদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না বলেও মাইকে জানানো হয়।

ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও তড়িৎ ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. প্রাণ কানাই সাহা জানান, ভর্তির জন্য ১৬ হাজার ২৮৮ জন আবেদন করেছিল। তার মধ্যে যাচাই-বাছাই করে ১২ হাজার ১৬১ জন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ভর্তি পরীক্ষায় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ অংশে আবেদন করেছে ১০ হাজার ৭৬৩ জন। ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ৫ নভেম্বর।

অন্যদিকে আর্কিটেকচার অংশে পাঁচ ঘণ্টার পরীক্ষা নেওয়া হবে। সকাল ৯টা থেকে ১২টা ও দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনায় এক সপ্তাহ ধরে উত্তাল ছিল বুয়েট। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসার পর আন্দোলনকারীরা ১০ দফা দাবির মধ্যে তাৎক্ষণিক ৫ দফা বাস্তবায়নের নোটিশ দেওয়ার শর্ত দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি মেনে নিলে ভর্তি পরীক্ষার জন্য দুই দিন আন্দোলন শিথিল করা হয়।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ