ইবিতে বর্ণিল আয়োজনে বসন্ত বরণ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৪৭

বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বসন্তকে (পহেলা ফাল্গুন, ১৪২৫) বরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার বাংলা বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এ দিনটি বরণ করা হয়।

জানা গেছে, এদিন সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারীর নেতৃত্বে রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলা মঞ্চে এসে মিলিত হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাঃ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহযোগী অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, অধ্যাপক ড. সরওয়ার মুুর্শেদ রতন ও বসন্ত উৎসব উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন, প্রক্টর ড. আনিসুর রহমান, ট্রিপল-ই বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. ইয়াছিন আলী, অধ্যাপক ড. শেখ রেজাউল করিম, অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুজ্জামান, ড. ইয়াসমিন আরা সাথী, ড. তপন কুমার রায় প্রমুখ।

আলোচনা শেষে বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাজিয়া আফরিন ইতি ও অনি আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভাগের শিল্পীদের পরিবেশনায় নাটিকা “অবাধ জলপান” মঞ্চায়ন এবং “অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ” শীর্ষক কোরিয়োগ্রাফি প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও কবিতা আবৃত্তি, নাচ ও গান পরিবেশন করা হয়।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘হাজার বছরের বাঙালি-ইতিহাসে আমাদের একটি গৌরবের বিষয় হলো, আমাদের দেশের মতো ঋতু বৈচিত্র পৃথিবীর আর কোন দেশে নেই। আমাদের প্রতিটি ঋতুর রয়েছে নিজস্ব রূপ, রস, গন্ধ। রয়েছে আলাদা-আলাদা পরিবর্তন ও বৈশিষ্ট্য। ছয় ঋতুর রূপ, রস এবং গন্ধ আমাদের পূর্বসূরীরা উপভোগ করেছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমানে একুশ শতকের পৃথিবীতে আমাদের সন্তানেরা ঋতুর এই স্বাদ পায়না।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান বলেন, ‘প্রকৃতির দিক থেকে বসন্তকে ঋতুরাজ বলা হয়।  বসন্ত সুবাতাস দেয়, মানুষকে আনন্দ দেয়, মানুষের কষ্টকে নিঃশ্বেষ করে দেয় এবং মানুষের জীবন ফুলে-ফলে সুশোভিত করে তোলে।  তাই বসন্তকে আমরা বলি সুসময়।  বসন্তের মধ্যদিয়ে আমাদের যে বাঙালিয়ানা, সেই বাঙালিয়ানায় নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারি।’

এবিএন/অনি আতিকুর রহমান/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ