নবীনদের বরণ করে নিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০১৯, ১৭:০৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ৩৩টি বিভাগই যেন আজ বর্ণিল সাজে সেজেছে। পরিবারের নতুন সদস্যের আগমন উপলক্ষ্যে তাই সবার মধ্যেই বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা।

আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়েই তাই হয়ে গেল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে স্ব-স্ব বিভাগ তাদের সর্বকনিষ্ঠ সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়। নতুন ঠিকানা পেয়ে নবীনদের চোখে-মুখেও উচ্ছাস ফুটে উঠে।

আজ মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, বাংলা, ইংরেজি, আরবী ভাষা ও সাহিত্য, লোক-প্রশাসন, আল ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ, ল’ এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় প্রতিটি বিভাগেই নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
অনুষদ ভবনে গিয়ে দেখা মেলে বাংলা বিভাগের বরণ অনুষ্ঠান। বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক ড. মনজুর রহমানের সঞ্চালনায় বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. নাসরিন আক্তার, অধ্যাপক ড. গৌতম কুমার দাস, অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন, অধ্যাপক ড. মোঃ রাশিদুজ্জামান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে তারা বিভাগের পক্ষ থেকে নবীনদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। শিক্ষকগণ তাদের নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের আগামী দিনের পথচলার রুপরেখাও বাতলে দেন সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে।

অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামান বলেন নবীনদের বলেন, ‘তোমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হল আজ। গতানুগতিক পড়ালেখার গন্ডি পেরিয়ে জীবনবোধের জ্ঞান অন্বেষণে ছুটে চলবে তোমরা। কারণ ভর্তি-যুদ্ধের মধ্য সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছ তোমরাই।’

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনে গিয়ে দেখা যায় জাকজমকভাবে চলছে নবতর বিভাগ ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বরণ। বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রভাষক রফিকুল ইসলাম রকিব, শরিফুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ। তাঁরাও শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং মিষ্টিমুখ করান।

বাংলা বিভাগে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থী শিমুল জানায় ‘স্কুললাইফ থেকেই ইচ্ছে ছিল সাহিত্য নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হয়ে সেই আশা পূরণ হয়েছে। আজ নবীন বরণে স্যার-ম্যাম এবং সিনিয়র ভাইয়া-আপুদের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।’

ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সামিহা জানায়, “প্রথম দিনের পরিচয়েই যেন ট্যুরিজম পরিবারের অন্যতম সদস্য হয়ে উঠেছি। সবার আন্তরিকতায় বাড়ির পিছুটান প্রায় ভুলেই গেছি। দিনটি মনে থাকবে চিরদিন।”

 

এবিএন/অনি আতিকুর রহমান/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food