জবির প্রকল্প অনুমোদনে আনন্দ মিছিল ও বিক্ষোভ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:২৯

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়নে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন হওয়ায় আনন্দ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। অপরদিকে শর্তসাপেক্ষে নতুন ক্যাম্পাস স্থানান্তরের খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জবির বাম সংগঠনগুলো।

আজ বুধবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে জবি ক্যাম্পাসে পৃথকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনগুলো।

মিছিল শেষে জবি ছাত্রলীগের সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়৷ এসময় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রী যে প্রকল্পটির অনুমোদন করেছেন, আগামী একাদশ নিরবাচনে যদি আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় না আসতে পারে তাহলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল বলেন, ২৭/৪ নামক যে কালো ধারার মাধ্যমে একটি অসম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় রুপে রুপ নিয়েছিল জবি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে ধারা বাতিল করে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিনত করার জন্য এই মেগা প্রকল্প হাতে নেন।

আনন্দ প্রকাশ করে রাসেল আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসলে ৮ হাজার কোটি টাকার বৃহৎ বাজেট প্রনয়নের মাধ্যমে জগন্নাথকে একটি বিশ্বমানের ক্যাম্পাসে পরিনত করা হবে।  উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে এই সরকারের কোন বিক্ল্প নেই।

এদিকে পুরাতন ক্যাম্পাসের বিনিময়ে নতুন ক্যাম্পাসের অনুমোদনের খবরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, নতুন এ প্রকল্পটিকে সাধুবাদ জানাই তবে আমাদের বর্তমান ক্যাম্পাসকে ক্যাম্পাসকে অক্ষুন্ন দ্রুত সম্প্রসারন করার দাবি জানাই। কোনভাবেই এই ক্যাম্পাস ছেড়ে নতুন ক্যাম্পাসে যাবনা।

শাখা ছাত্রফ্রন্ট সভাপতি  কিশোর কুমার বলেন, তবে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পুরাতন ক্যাম্পাস ছেড়ে নতুন ক্যাম্পাসে যাওয়ার যেকোন সিদ্ধান্ত  না মানার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে নতুন ক্যাম্পাসের শর্তের বিষয়ে রে‌জিস্ট্রার প্র‌কৌশলী ও‌হিদুজ্জামান ব‌লেন, আমরা এখনও কোন শ‌র্তের কথা জা‌নি না।  কারণ এখন মুল ইন্ট্র‌লেশন পাই‌নি। এটা আস‌তে অন্তত এক মাস লাগ‌বে। তখন বুঝা যাবে যে কি শর্ত র‌য়ে‌ছে। যারা বল‌ছে, ক্যাম্পাস স্থানান্তর এর বি‌নিম‌য়ে এ প্রকল্প অনু‌মোদন দি‌য়ে‌ছে তা‌দের এ কথার ভি‌ত্তি কী আ‌মি জা‌নি না।

এবিএন/মোস্তাকিম ফারুকী/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ