কুবি'র সিএসই ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষক সংকটের তীব্রতা বাড়ছে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৫৮

আবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে উপেক্ষা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদকে।  গত ৮ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ‘নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি’তে বিভিন্ন বিভাগের জন্য মোট ১৯ জন শিক্ষক এবং ৩ জন সেকশন অফিসার চাওয়া হলেও প্রকৌশল অনুষদের দুটি বিভাগ তথা কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের জন্য কোনও প্রার্থীতা চাওয়া হয়নি।

এ নিয়ে হতাশা, উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতিসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, বিভাগ দুটিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। যেখানে শিক্ষক খুব দরকার। দীর্ঘদিন ধরে বিভাগ দুটিতে শিক্ষক সংকট চলে আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিএসই বিভাগে বর্তমানে চলমান ব্যাচ সংখ্যা ৬টি, যার বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৯ জন। এদের মধ্যে শিক্ষা ছুটিতে আছেন ৩জন। ফলে, মাত্র ৬জন শিক্ষক বিভাগে চলমান ৬টি ব্যাচকে পরিপূর্ণভাবে পাঠদান করতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন।  অন্যদিকে, আইসিটি বিভাগের চলমান ব্যাচ সংখ্যা ৭টি যার বিপরীতে শিক্ষক সংখ্যা মাত্র ৮জন (৩জন শিক্ষা ছুটি ব্যতিত)।  সঙ্গত কারণেই পাঠদান ব্যহত হচ্ছে এই বিভাগেও।  ফলে, শিক্ষার্থীদের কোর্স বিভাজনে অতিরিক্ত চাপ পড়ছে শিক্ষকদের ওপর।  পাশাপাশি যথাযথ সময় ও ব্যবস্পনায় হচ্ছে না ক্লাস-পরীক্ষা। এতে করে তীব্র সেশনজটে জর্জরিত হচ্ছে বিভাগ দুটির প্রতিটি ব্যাচ।

বিভাগের অচলাবস্থা নিরসনে শিক্ষক নিয়োগের কোনও বিকল্প নেই উল্লেখ করে সিএসই বিভাগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো: কামাল হোসেন চৌধুরী জানান, ‘গত বছরের আগস্ট থেকে মাত্র ৬ জন শিক্ষক নিয়ে বিভাগ চলছে।  বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে আমি চারজন শিক্ষকের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি।  প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন বিজ্ঞপ্তিতে দেখলাম সিএসই বিভাগের জন্য  শিক্ষক  চাওয়া হয়নি।’

ইতিপূর্বে একাধিকবার শিক্ষক নিয়োগের চাহিদা দিয়েও ইতিবাচক কোনও ফলাফল পাননি বলে জানান আইসিটি বিভাগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো: ইমরান হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিভাগের শিক্ষক স্বল্পতার বিষয়টি প্রশাসন অবগত আছেন। শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের ভূমিকা নেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) ড. মো: আবু তাহের জানান, বর্তমানে আমরা যেসব বিভাগে শিক্ষক সংকটের তীব্রতা অনুভব করেছি সেগুলোতে প্রার্থীতা চেয়েছি। তবে পর্যায়ক্রমে অতিদ্রুত যেসব বিভাগে শিক্ষকের প্রয়োজনীয়তা বেশি সেগুলোতে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তির প্রকাশ করা হবে।

এবিএন/নাহিদ ইকবাল/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ