আজকের শিরোনাম :

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার আহ্বান ইউজিসি’র

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২১, ১৭:১৭

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে (ডিসি) উত্তরণে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) ও এপিএএমএস (সফট্ওয়্যার) বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ (০৪ মার্চ) সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। সভায় সমাপনী বক্তব্য রাখেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর।  স্বাগত বক্তব্য দেন কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান। সভায় বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি ও এপিএএমএস বিষয়ে প্রশিক্ষণে সেশন পরিচালনা করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফজলুর রহমান।

প্রফেসর ড. তাহের বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে কী কী করণীয় তার আলোকে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ঢেলে সাজাতে হবে। পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও লক্ষ্য পূরণে সংশ্লিষ্টদরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।  দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সামগ্রিক কর্মকান্ড ও দক্ষতা  আগামীতে দেশকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন ও উন্নত দেশে রূপান্তরে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি জানান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে নিযুক্ত সকলকে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কাজ করার আহ্বান জানান। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সফল বাস্তবায়নকারীদের দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।

প্রফেসর আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে পরনির্ভরশীলতা কমাতে হবে। এজন্য প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন দক্ষ জনবল তৈরি করতে হবে। ইউজিসি গুণগত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত ও মানসম্পন্ন স্নাতক তৈরিতে কাজ করছে বলে তিনি জানান।

ইউজিসি এপিএ’র সদস্য-সচিব গোলাম দস্তগীরের সঞ্চালনায় কর্মশালায় ২৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকাল পয়েন্টগণ অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা  বৃদ্ধি  জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার এপিএ প্রবর্তন করেছে।


এবিএন/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ