‘বাঙালি জাতির অগ্রগতি থামাতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা’

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০১৮, ২০:২৫

জবি, ১৪ আগস্ট, এবিনিউজ : বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিলো বাঙালি জাতির অগ্রগতিকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য। আর এ হত্যাকাণ্ডের পর কথিত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জনগণের সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

আজ মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রলীগের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিলো বাঙালি জাতির অগ্রগতিকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য। তাকে হত্যার পর দেশের উন্নয়ন ক্রমাগত ব্যাহত হতে থাকে। আর আজ যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, এখনো এক শ্রেণীর ষড়যন্ত্রকারী ঐক্যবদ্ধভাবে নেমেছে দেশের উন্নয়নকে ব্যাহত করতে। আর এ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে ছাত্রলীগের প্রত্যেকটি কর্মীকে সজাগ থাকতে হবে।

ছাত্রলীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ছাত্রলীগকে হতে হবে দেশের প্রতিটি জনগণের আদর্শ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে ছাত্রলীগকে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে হবে।  

আলোচনার সভায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বাঙালিদের হৃদয় থেকে কখনো মুছতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু আজও সব বাঙালির হৃদয়ে বিরাজমান। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে এদেশের উন্নয়নকে থামিয়ে দিয়েছিলো। কিন্তু তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।  

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছাত্রলীগের  সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, শেখ হাসিনার কর্মীরা কখনো অন্যায় করতে পারে না। ছাত্রলীগের কেউ কোনো অন্যায় করলে সেই অন্যায়কে কখনো প্রশয় দেওয়া হবে না।  যুগে যুগে ছাত্রলীগ সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছে। অতীতে ছাত্রলীগের হাত ধরেই এদেশের সকল আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। ছাত্রলীগ স্বাধীনতা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। দেশের প্রথম জাতীয় প্রতাকা উত্তোলন করেছে ছাত্রলীগ, প্রথম জাতীয় সংগীত গেয়েছে ছাত্রলীগ। মাঝখানে এইসব সোনালী অতীত ভুলে ছাত্রলীগ পথভ্রষ্ট হয়েছিলো। এই ভুলগুলো শুধরে আমরা আবার ছাত্রলীগের সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনবো। প্রত্যাশার থেকে বেশি পাবেন এই ছাত্রলীগ থেকে
 

অনুষ্ঠানে জবি ছাত্রলীগ সভাপতি তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু।

এছাড়াও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এবিএন/মোস্তাকিম ফারুকী/জসিম/রাজ্জাক

এই বিভাগের আরো সংবাদ