অমর একুশের গ্রন্থমেলার স্টলগুলো নতুন বইয়ে সেজে উঠেছে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৮

বাংলা একাডেমিতে অমর একুশের গ্রন্থমেলায় নতুন নতুন বইয়ের সমাহারে স্টলগুলো ভরে উঠেছে। নতুন বইয়ের আকর্ষণীয় অঙ্গসৌষ্ঠব এবং প্রকাশনার বাহারি সৌন্দর্য পাঠকদের দৃষ্টি কেড়ে নিচ্ছে।

মেলা ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ বইয়ের রঙের উজ্জ্বলতা এবং প্রচ্ছদশিল্পীদের ব্যাপক পরিশ্রম ফুটে উঠেছে বিভিন্ন বিষয়ের শত শত গ্রন্থে। পাঠকরা হাতে নিয়েই নতুন বইয়ের গন্ধে ফিরে পাচ্ছেন নবতর পাঠের প্রেরণা।

সাতক্ষীরার একটি স্কুলের শিক্ষক গৌতম রায় কয়েক ব্যাগ বই কিনে মেলা থেকে ফিরছিলেন। তিনি বলেন, মেলায় এসেই মনটা ভরে গেছে। এত সুন্দর পরিবেশ এই মেলায় আর কখনো দেখিনি। স্টল ও প্যাভিলিয়নের নান্দনিকতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, স্টলগুলোর মান বেড়েছে। ছোট বড় সব স্টলই দেখে আমি মুগ্ধ। তিনি জানান, তাদের স্কুলের লাইব্রেরির জন্য আজ সাড়ে ৯ হাজার টাকার বই ক্রয় করেছেন।

শিশু কর্নারে ছেলের জন্য দুপুরে বই কিনছিলেন আজিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রিজিয়া খাতুন। তিনি বলেন, এবারের মেলার পরিবেশসহ সব কিছু ভাল লাগছে। বাচ্চাদের জন্য নানা বিষয়ে প্রচুর নতুন বই এসেছে।

আগামী প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ওসমান গণি জানান, তারা এবার আশিটি নতুন বই প্রকাশ করছেন। দুই দিনে ২৩টি নতুন বই প্রকাশ পেয়েছে। 

তিনি বলেন, মেলায় বইয়ের দাম বাড়েনি। বিগত মেলার মতোই ২৫ ভাগ কমিশনে তারা বই বিক্রি করছেন।

এবারের অমর একুশের গ্রন্থমেলার প্রথম শিশু প্রহরেই আজ শত শত শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে মেলায় ভিন্ন রকম পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শিশু কর্নারে তারা নানা ধরনের খেলায় মেতে উঠে। স্টলে-স্টলে ঘুরে ঘুরে বই ক্রয় করে। আজ মেলার দ্বিতীয় দিনে ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকে দুপুর দুটা পর্যন্ত ছিল শিশুপ্রহর। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিশু কর্নারের পাশে বটতলায় সিসিমপুর শিশু কর্নারে অসংখ্য শিশুরা সকাল থেকেই নানা খেলায় মেতে উঠে।

এবারের মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি সুযোগ হচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গ্লাস টাওয়ার ও শিখা অনির্বাণ চত্বর। প্রথম বারের মতো মেলার সঙ্গে উদ্যানের এই চত্বর যুক্ত করা হয়েছে। ফলে শত শত দর্শনার্থীরা মেলা উপভোগের পর গ্লাস টাওয়ার ও এর পাশে পুকুরের চারপাশে সময় কাটাচ্ছেন। ঘুরে বেড়াচ্ছেন উদ্যানের নানা আঙিনা।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food