কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেনকে নিয়ে স্মরণসভা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৩১

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেনের স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলা ছায়াছবির চরম সংকটকালে অসংখ্য কালজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাণ করে তিনি এই শিল্পে প্রাণ সঞ্চার করেছেন। চলচ্চিত্র শিল্পের অমর কারিগর হিসেবে তিনি অমর হয়ে থাকবেন।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে জন্ম নেয়া মৃণাল সেন অসাধারণ মেধার পরিচয় রেখেছেন ছায়াছবিতে। বাঙালির জীবনধারাকে তিনি তাঁর ছবিতে উপস্থাপন করেছেন খুবই সাবলীল গতিতে। তার সৃষ্টিকর্ম শিল্পের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মৃণাল সেন স্মরণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে স্মরণসভায় বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই স্মরণসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম।

স্মরণ সভায় মৃণাল সেনের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব ইন্ডিয়ার সভাপতি প্রেমেন্দু মজুমদার, নির্মাতা আকরাম খান, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহিম ও বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মামুন ।

লিয়াকত আলী লাকী বলেন, চলচ্চিত্রে সৃষ্টিশীল কাজের মধ্যদিয়ে মৃণাল সেন কিংবদন্তি নির্মাতা হিসেবে খ্যাতিলাভ করেছেন। তার চলচ্চিত্রে বাংলাদেশ, এই দেশের মানুষ ও তাদের জাগতিক জীবনই উঠে এসেছে। নির্মাণ কৌশল ও সৃষ্টিশীলতার কারণে তিনি বিশ্বের অনেক দেশ থেকে পুরস্কার লাভ করেছেন। বাঙালির মুখ উজ্জ্বল করেন। বাংলাদেশকে উচ্চকিত করেন।

প্রেমেন্দু মজুমদার বলেন, মাতৃভূমি বাংলাদেশ এবং এই দেশের মাটি-মানুষকে তিনি তার সৃষ্টিকর্মে সর্বাগ্রে স্থান দিয়েছেন। তার ছবিগুলো দেখলে সে সবই আবিস্কার করা যায়। উপ-মহাদেশে নির্মাতা হিসেবে তিনি অগ্রগণ্য হয়ে থাকবেন।

গত ৩০ ডিসেম্বর ৯৬ বছর বয়সে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেছেন উপমহাদেশের কিংবদন্তী চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেন। মৃণাল সেন ১৯২৩ সালের ১৪ মে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেনের প্রয়াণে বাংলাদেশের সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে।
খবর বাসস

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ