নতুন বছরে ২৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২০, ১৭:৪৮ | আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২০, ১৭:৪৯

২০২০ সালে নতুন করে আরও ২৬ হাজার প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে নতুন করে আরও ২৬ হাজার প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে এরই মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। এবারের নিয়োগও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণরা ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ক্লাস নিতে পারবেন। এর আগে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে তাদের পদায়ন শুরু হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন জানান, ‘প্রাথমিক শিক্ষক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে নতুনদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুনরা ক্লাস নেওয়া শুরু করলে শিক্ষক সংকট অনেকাংশে কমে যাবে। ফেব্রুয়ারি প্রথম সপ্তাহ থেকেই তারা ক্লাস নিতে পারবেন।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে সর্বশেষ নিয়োগপ্রাপ্তরা কাজে যোগদানের সঙ্গে সঙ্গেই প্রশিক্ষণ পাবেন। তবে প্রশিক্ষণের আগেই তাদেরকে ১৩তম গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে। এর আগে সহকারী শিক্ষকদের ১৫তম গ্রেডে যোগদান ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হলে ১৪তম গ্রেডের সুবিধাদি দেওয়া হতো।

গত ডিসেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ৬৪টি জেলায় এবার মোট ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে শিক্ষক হিসেবে নির্বাচন করা হয়।
 
এ ব্যাপারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকের একটি বিদ্যালয়েও যেন শিক্ষক সংকট না থাকে; আমরা সেই চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। শিক্ষার প্রসারের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষক। প্রাথমিকের চলতি নিয়োগে আমরা শিক্ষকের মান বিবেচনা করে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

উল্লেখ্য, সারাদেশে মোট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা এক লাখ ৩৪ হাজার ১৪৭টি। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৫৯৩টি। এসব সরকারি বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ৩ লাখ ২২ হাজার ৭৬৬ জন। যেখানে গত দশ বছরে নিয়োগ পেয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ১০০ জন শিক্ষক। এসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে অধ্যায়নরত ২ কোটি ১৯ লাখ ৩২ হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ